পার্কস্ট্রিট কাণ্ডের সাক্ষীই আক্রান্ত নিউ মার্কেটে

Update: June 11, 2012 19:46 IST

নিউ মার্কেটের নাইট ক্লাবে নিগৃহীতা তরুণীই পার্ক স্ট্রিট ধর্ষণ কাণ্ডের অন্যতম সাক্ষী। রবিবার রাতে নিউ মার্কেটের এক নাইট ক্লাবে ওই তরুণীর শ্লীলতাহানি করে তিন যুবক। যুবকদের গ্রেফতার করে নিউ মার্কেট থানার পুলিস। তাদের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টা ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ এনেছে নিউ মার্কেট থানার পুলিস।

রবিবার দুই বান্ধবীর সঙ্গে নিউ মার্কেটের নাইটক্লাবে গিয়েছিলেন নারকেলডাঙার বাসিন্দা এক তরুণী। অভিযোগ, সেখানে তাঁদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করে তিন যুবক। তিনজনের নাম হরপ্রীত সিং, মনমিন্দর সবরওয়াল ও কালওয়াল সবরওয়াল। নাইটক্লাবের মধ্যে হরপ্রীতের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে চোট পান ওই তরুণী। এরপর তাঁরা নাইট ক্লাব থেকে বেরিয়ে এলে পিছু নেয় ওই তিন যুবক। নাইটক্লাবের বাইরে তরুণীদের চিত্কারে তাদের কয়েকজন পুরুষ বন্ধু ছুটে এলে যুবকরা পালায়। আহত তরুণীকে নিয়ে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজে যায় তাঁর সঙ্গীরা।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় নিউ মার্কেট থানার পুলিস। তরুণীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাতেই গ্রেফতার করা হয় তিন যুবককে। হরপ্রীতকে তার পিকনিক গার্ডেনের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে পুলিস। মনমিন্দর ও কাওয়ালকে ধরা হয় তাদের এসএন ব্যানার্জি রোডের বাড়ি থেকে। ধৃতদের সোমবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করা হয়। তাদের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি ও খুনের চেষ্টার অভিযোগ দায়ের করেছে পুলিস।

Post Your Comment

Total Comments:2

এটাও না সাজানো ছোট্ট ঘটনা বলে বসেন.আসলে আগামীতে পশ্চিম বঙ্গে মা বোনেরা রাস্তা দিয়ে চলা ফেরা করতে পারবেন কি না সন্দেহ আছে.এক বছরে যা ঘটছে আগামীতে এরা আরো পাকা পোক্ত হবে .

Ebare o ki Mahamnno Mukkhimontri Bolben Parckstreet kander motono ki Niu-Market Er Ghatonata o ki C.P.I.(M) er sajano Ghatona ??????????????

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।