ফের জেল হেফাজতে পিঙ্কি

Update: June 29, 2012 17:12 IST

পিঙ্কি প্রামাণিকের ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল বারাসত আদালত। শুক্রবার তাঁকে দমদম কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার থেকে আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। বারাসত আদালত ফের পিঙ্কির মেডিক্যাল পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছে।

এ আগে এসএসকেএমে পিঙ্কির শারীরিক পরীক্ষার পর তাঁর লিঙ্গ সংক্রান্ত জটিলতা রয়েছে বলে জানিয়েছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। যদিও পরিকাঠামোর অভাবে এসএসকেএমে পিঙ্কির লিঙ্গ নির্ধারণ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা যায়নি। ১১ সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ডের সিদ্ধান্তে সোনাজয়ী অ্যাথলিটের ক্রোমোজোম বিশ্লেষণের নমুনা পাঠান হয় ভিনরাজ্যে। পরীক্ষার পর থেকে পিঙ্কিকে ফের সংশোধনাগারে রাখা হয়।

এক মহিলার অভিযোগের প্রেক্ষিতে, গত ১৪ জুন পিঙ্কিকে গ্রেফতার করে বাগুইআটি থানার পুলিস। পিঙ্কির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনেন ওই মহিলা। অভিযোগকারিণীর দাবি, পিঙ্কি নারী নন। তিনি পুরুষ। যদিও পিঙ্কির লিঙ্গ নির্ধারণ করতে গিয়ে দেখা দেয় চরম বিভ্রান্তি। বারাসত হাসপাতালে সাত সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড পিঙ্কির শারীরিক পরীক্ষা করে। কিন্তু, কোনও স্থির সিদ্ধান্তে তাঁরা পৌঁছতে পারেননি। তারপর এসএসকেএমেও পিঙ্কির লিঙ্গ নির্ধারণ সম্ভব হয়নি। তাঁর রক্তের নমুনা পাঠান হয়েছে ভিনরাজ্যে।







Post Your Comment

Total Comments:1

24 ghanta 1st news channel for WEST BANGAL

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।