আমতা গণধর্ষণ কাণ্ডে নির্যাতিতাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব পুলিসের, জানাল হাইকোর্ট, পূর্ব মেদিনীপুরে টানা নয়দিন গণ ধর্ষণের শিকার কিশোরী

আমতা গণধর্ষণকাণ্ডে নির্যাতিতাদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হবে। পুলিসকে এই নির্দেশ দিল হাইকোর্ট। পাঁচই ফেব্রুয়ারি সরস্বতী পুজোর দিন আমতার মুক্তিরচকে ওই বাড়িতে চড়াও হয় ১৩ জন দুষ্কৃতী। বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার বন্ধ করে দিয়ে শাশুড়ি ও বউমার ওপর নির্যাতন চালায় দুষ্কৃতীরা। কোনওক্রমে শাশুড়ি পালিয়ে আমতা থানায় সাতজনের নামে এফআইআর দায়ের করেন। এরপর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে আরও ছজনের নামে এফআইআর করেন নির্যাতিতারা।

Updated: Apr 3, 2014, 03:32 PM IST

আমতা গণধর্ষণকাণ্ডে নির্যাতিতাদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হবে। পুলিসকে এই নির্দেশ দিল হাইকোর্ট। পাঁচই ফেব্রুয়ারি সরস্বতী পুজোর দিন আমতার মুক্তিরচকে ওই বাড়িতে চড়াও হয় ১৩ জন দুষ্কৃতী। বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার বন্ধ করে দিয়ে শাশুড়ি ও বউমার ওপর নির্যাতন চালায় দুষ্কৃতীরা। কোনওক্রমে শাশুড়ি পালিয়ে আমতা থানায় সাতজনের নামে এফআইআর দায়ের করেন। এরপর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে আরও ছজনের নামে এফআইআর করেন নির্যাতিতারা।

যদিও এখনও পর্যন্ত রতন মণ্ডল নামে একজনকেই গ্রেফতার করেছে পুলিস। দুষ্কৃতীদের ক্রমাগত হুমকিতে ঘরছাড়া রয়েছেন নির্যাতিতারা। এরপরই নিরাপত্তার দাবিতে হাইকোর্টে মামলা করেন তাঁরা। আজ বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত পুলিসকে নির্যাতিতাদের শারিরীক ও মানসিক নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ দেন। মামলার পরবর্তী শুনানি ছয়ই মে।

অন্যদিকে, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক কিশোরীকে টানা নয়দিন গণধর্ষণ করল দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুরে। অভিযোগ, শেখ সানোয়ার নামে এক যুবক ওই কিশোরীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দিঘায় নিয়ে যায়। সেখানেই সানোয়ার ও তার দুই সঙ্গী মিলে টানা নয় দিন গণধর্ষণ করে ওই কিশোরীকে। এই ঘটনায় সানোয়ারকে গ্রেফতার করলেও অন্য দুই দুষ্কৃতী পলাতক। নির্যাতিতার মেডিকেল পরীক্ষা হবে। নেওয়া হবে গোপন জবানবন্দিও।