প্রণবের ফোন, ফের দলের নিশানায় কবীর সুমন

Update: June 20, 2012 19:22 IST

মঙ্গলবারই তৃণমূল সাংসদ কবীর সুমন ২৪ ঘণ্টাকে জানিয়েছিলেন, দলীয় বিরোধিতা সত্ত্বেও রাষ্ট্রপতি পদে প্রণব মুখার্জিকেই সমর্থন করবেন তিনি। তাঁর এই বক্তব্যের পরই বুধবার কবীর সুমনকে ফোন করেন প্রণব মুখার্জি। এই ঘটনায় সমালোচনার ঝড় উঠেছে তৃণমূলের তরফ থেকে।

প্রণব মুখার্জি ও কবীর সুমন দু`জনেরই সমালোচনা করে এদিন সুব্রত মুখার্জি বলেন, "কবীর সুমন অনৈতিক কাজ করেই চলেছেন। নানা কারণে তাঁর বিরুদ্ধে অনেক শক্ত পদক্ষেপ আমরা নিইনি। উনি যদি মনে করতেন তৃণমূল কংগ্রেস খুব খারাপ, তাহলে সাংসদ পদ ছেড়ে দেওয়াই ওনার পক্ষে নীতিগত দিক দিয়ে সবথেকে উচিত্ কাজ হত। যা অতীতে বহু মানুষ করেছেন। প্রণববাবুর এভাবে ফোন করাও নজিরবিহীন ঘটনা। উনি চাইলে দলের সর্বোচ্চ পদাধিকারীর কাছে আবেদন জানাতে পারতেন। সেটা অনৈতিক নয়। কিন্তু দলের মধ্যে থাকা কোন দ্বিমত পোষণকারী সাংসদকে ফোন করে উসকানি দেওয়া কুরুচিকর।"

সুব্রত মুখার্জির মতো একই মত প্রকাশ করেছেন রাজ্যের আর এক মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমও। প্রণববাবু সম্পর্কে ২৪ ঘণ্টাকে ফোনে তিনি জানান, কোন দলকে যদি আবেদন জানাতে হয়, তাহলে সেই দলের প্রধানের কাছে আবেদন জানাতে হয়। এক্ষেত্রে ব্যক্তিগত ভাবে কাউকে অনুরোধ করা একেবারেই অভিপ্রেত নয়। এটা অগণতান্ত্রিক ও নীতিবিরোধী। অন্যদিকে কবীর সুমন সম্পর্কে তাঁর বক্তব্য, কেউ যখন দলের টিকিটে জিতে সাংসদ হন, তখন তাঁর দলের প্রতি দায়বদ্ধ থাকা উচিত্। সেটা না করা পাপ। জেতার পর হঠাত্ করে কবীর সুমনের একজন ব্যক্তিবিশেষ হয়ে ওঠা কখনই কাঙ্খিত নয় বলেই মনে করেন তিনি। কবীর সুমনের আচরণের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, "ক্ষমতা থাকলে ইস্তফা দিয়ে ব্যক্তিগত ভাবে জিতে আসুন। দলের প্রতি দায়বদ্ধ না থাকলে মানুষের প্রতি দায়বদ্ধ থাকা যায় না।"



Post Your Comment

Total Comments:4

CPIM JINDABAD

Who teaches whom about morality,legality and democracy ?

Kindly ask Mr Subrata Mukherjee How many times he changes party ? Who told TARMUJ to whom ?

সুব্রত বাবু এবং হাকিম সাহেব আপনারা দুই জনে আজ কবির সুমন সমন্ধে যা বলেছেন তা আপনাদের দিদির কাছ থেকে অনুমতি নিয়েছিলেন না দিদি লিখে দিয়েছিলেন .কারণ আপনাদের কারো কিছু বলার সাহস নেই .অনেকটা কাপুর্সের মতো .তাই টি ভি দেখে ভাবছিলাম যদি আপনারা অনুমতি না নেন তাহলে কাল আপনাদের তল্পি তল্পা নিয়ে বাড়ির দিকে হাটা লাগাতে হবে.কবির সুমনের সমন্ধে অনেক কিছু আপনাদের জানার আছে.আপনাদের সঙ্গে মিলিয়ে ফেলবেন না.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।