সিঙ্গুর আন্দোলনের গোপন কথা ফাঁস রবীন্দ্রনাথের!

Update: November 28, 2012 17:07 IST

দলে তোলাবাজি নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খোলায় গতকাল রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যর বিরদ্ধে মুখ খুলেছেন বেচারাম মান্না। বলেছেন, অনৈতিক কাজ করেছেন রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য। এবার সেই বেচারাম মান্নার বিরুদ্ধেই পাল্টা অনৈতিক কাজের অভিযোগ আনলেন রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য। তাঁর অভিযোগ, সিঙ্গুর আন্দোলন চলাকালীনই টাটা ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত এলাকার এক ধনী ব্যক্তির বাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত ছিল বেচারাম মান্নার।

Post Your Comment

Total Comments:8

Asha rakchi achirai MOABADI TRINOMULER atoter khatha kono GHORER MUKH theke jante parbo.

bharaterdidi,bangalermaa se,amadermamata.

Bechara becharam.kasto kore montri holo.tate abar bikhkhov.becharam er to jan bechbar obostha.ki r kora jabe!vauta baji manus bujhe gache.

BECHA RAM BABU NIJEKE BACHE DIACHE. UTTOR AAR KI DEBE.

BECHA RAM BABU NIJEKE BACHE DIACHE. UTTOR AAR KI DEBE.

eta jana chilo .singur people ebar bujchete parche

eta jana chilo .singur people ebar bujchete parche

MANONIO BECHARAMBABU APNER UTTORER OPEKHYA RAHILAM.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।