র‌্যাগিংয়ের সঙ্গে খুনের হুমকি; আতঙ্কে সিদ্ধান্ত

Update: October 11, 2012 12:43 IST

ফের র‌্যাগিংয়ের অভিযোগে উত্তেজনা ছড়াল। এবার কাঠগড়ায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। যাদবপুরে ২০১১ সালে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি হন সিদ্ধান্ত মুন্দ্রা। অভিযোগ, শুরু থেকেই সিদ্ধান্তকে বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলে মানসিক এবং শারিরীকভাবে নির্যাতনের শিকার হতে হয়। এরপর হস্টেল ছাড়ার জন্য জিনিসপত্র নিতে হস্টেলে গেলে ফের তাকে সিনিয়ররা সিদ্ধান্তকে ব্যাপক মারধর করে বলে অভিযোগ। 

পয়লা অক্টোবর কান্দি থানায় অভিযোগ দায়ের করে সিদ্ধান্ত মুন্দ্রার পরিবার। একবছর পর ফের সিদ্ধান্তকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার অনুরোধ করে কর্তৃপক্ষ। ভর্তিও হয় সিদ্ধান্ত। কিন্তু হস্টেলের পরিবর্তে মেসে থাকতে শুরু করে সে। কিন্তু কয়েকদিন আগে মেসে সিদ্ধান্ত মুন্দ্রার নামে দুটি হুমকি চিঠি আসে। বিশ্ববিদ্যালয় না ছাড়লে তাকে খুন করা হবে বলে চিঠিতে হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এরপরই বিশ্ববিদ্যালয় এবং যাদবপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করে সিদ্ধান্তের পরিবার। কিন্তিু তাঁদের অভিযোগ থানা নেয়নি বলে অভিযোগ। ঘটনার জেরে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে সিদ্ধান্ত মুন্দ্রা।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।