ঝড়বৃষ্টির জেরে রেল পরিষেবা বিঘ্নিত আলিপুরদুয়ারে

Update: June 4, 2012 14:05 IST

রবিবার রাতভর আলিপুরদুয়ারে ব্যাপক ঝড়বৃষ্টির জেরে ব্যাহত হয় রেল পরিষেবা। রমনপুর থকে রাজাভাতখাওয়া স্টেশনের মধ্যে বেশ কয়েকটি জায়গায় লাইনে গাছ পড়ায় আটকে পড়ে একাধিক দুরপাল্লা এবং লোকাল ট্রেন। সোমবার সকাল থেকে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়েছে রেল চলাচল।

রবিবার রাতে আলিপুরদুয়ার জংশন স্টেশনে  আটকে পড়ে শিলিগুড়িগামী মহানন্দা এক্সপ্রেস, ইনটারসিটি এক্সপ্রেস এবং শিলিগুড়ি প্যাসেঞ্জার। পরে সকাল পৌনে নটা নাগাদ লাইন পরিষ্কারের কাজ শেষ হওয়ায় অবশেষে কিছুটা স্বাভাবিক হয় পরিষেবা। প্রায় পৌনে তিন ঘন্টা স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকার পর একে একে ছাড়তে শুরু করে ট্রেনগুলি। খারাপ আবহাওয়ার জেরে ট্রেন চলাচল বিঘ্নিত হওয়ায় চরম অসুবিধার মধ্যে পড়েন যাত্রীরা।  





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।