ডান্স ইন্ডিয়া ডান্স সেরা রাজস্মিতা

Update: April 23, 2012 16:57 IST

ডান্স ইন্ডিয়া ডান্স এর সিজন থ্রি-এ সেরার শিরোপা পেলেন ওড়িশার রাজস্মিতা কর। প্রায় ৪ মাস ধরে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলার পর শনিবার গ্র্যান্ড ফিনালে তে সেরার মকুট জিতে নিলেন রাজস্মিতা। দ্বিতীয় হয়েছেন আসামের প্রদীপ গুরুং(২৪), তৃতীয় দেরাদুনের রাঘব জুয়াল(২০), চতুর্থ ও পঞ্চম স্থান পেয়েছেন দিল্লির সোনম জোহর(২০) ও রেওয়ার মোহেনা সিং(২৩)। এর পাশাপাশি বেস্ট ডিজায়ার্ড পারফরম্যন্স অফ দ্য সিজন-এর জন্য ৩ লক্ষ টাকার পুরস্কারও জিতে নিয়েছেন মোহেনা।

সঞ্চালক জয় ভানুশালী ও সৌমা টন্ডনের নাচ দিয়ে শুরু হয় গ্র্যান্ড ফিনালের সন্ধে। প্রতিযোগীদের আন্তর্জাতিক মানের পারফরম্যান্সের সঙ্গে গ্র্যান্ড ফিনালেতে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছিল মেন্টর গীতা কাপুর, রেমো ডি`সুজা ও টেরেন্স লইসের ম্যাডিকাল পারফরম্যান্স। সারা সন্ধে প্রতিযোগীদের উত্সাহ জুগিয়েছেন `মহাগুরু` মিঠুন চক্রবর্তী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অনিল কাপুর। নিজের আগামী ছবি `তেজ`-এর প্রোমোশনও করেন ডান্স ইন্ডিয়া ডান্স-এর মঞ্চে।

গত বছরের ডিসেম্বরে ১৮ জন ফাইনালিস্টকে নিয়ে শুরু হয়েছিল `ডান্স ইন্ডিয়া ডান্স সিজন থ্রি।` শনিবার বাকি ১৭ জনকে পিছনে ফেলে উইনার্স ট্রফির পাশাপাশি একটি ঝাঁ চকচকে মারুতি এটিগা গাড়ি ও বিশাল অঙ্কের `প্রাইজ মানি`-ও জিতে নিলেন রাজস্মিতা।

ডান্স ইন্ডিয়া ডান্স-এর প্রথম ও দ্বিতীয় সিজনের বিজয়ী ছিলেন ব্যাঙ্গালোরের সলমন খান ও মুম্বইয়ের শক্তি মোহন।










Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।