রানি-আদিত্য বিবাহিত?

Update: July 29, 2012 21:27 IST

মিডিয়ার থেকে বরাবরই নিজের ব্যক্তিগত সম্পর্ক লুকিয়ে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন রানি। আদিত্য চোপড়ার সঙ্গে নিজের সম্পর্ক যতবার তিনি অস্বীকার করেছেন, মিডিয়াও দ্বিগুণ উত্সাহে লেগে থেকেছে তাঁদের সম্পর্কের সত্যতা জানতে। তাই বরাবরই তাঁদের সম্পর্ক দেশবাসীর কাছে রয়ে গেছে এক রহস্যময় ওপেন সিক্রেট হিসেবেই। সম্প্রতি টুইটারের মাধ্যমে প্রকাশ্যে এসেছে রানি-আদিত্যর সম্পর্ক নিয়ে কিছ অজানা তথ্য।

রানি আর আদিত্য নাকি গত বছর দেওয়ালিতেই সাত পাঁকে বাঁধা পরেছেন। সবার অলক্ষ্যে গোপনেই নাকি তাঁরা সেরে ফেলেছেন তাঁদের বিয়ের অনুষ্ঠান। কিছুদিন আগেই রানি কে আদিত্য একটি `অডি এ৮ ডবলু১২`র মতো দামী গাড়ি দেওয়ার কথা শোনা গিয়েছিল। তাঁরা যে সাম্প্রতিককালে `ডেট`এ গিয়েছিলেন তাও অজানা নয়। বেশ কয়েক বছর ধরেই কখনও তাঁদের রোকা, কখনও বা এনগেজমেন্ট নিয়েও শোনা গেছে অনেক গল্পো। মিডিয়ার সামনে সবসময়ই মুখে কূলুপ এঁটেছেন রানি। তবে এর পুরোটাই গল্পো নাকি অন্য কিছু তা একমাত্র রানিই বলতে পারবেন। কথায় আছে, যা রটে তার কিছু তো বটে। এখন দেখা যাক রানি কবে মুখ খোলেন।






Post Your Comment

Total Comments:10

Just Gossip..But public realy interested to this relation...Rani is not only herself...she is celebrety..so..

This lady is just a third class class Bngali who has no right to be in the news for good but for nasty character.

what a news

what a news

আর কি কিছু খবর নেই?

chori chori chupke chupke...

valo laglo

valo laglo

valo laglo

Ei bar BIYE ta sere felo noyto satyata samne aano.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।