মালদায় ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

Update: March 19, 2013 19:11 IST

মালদায় দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল প্রীতম দাস নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। ছাত্রীর পরিবারের অভিযোগ, কয়েক মাস ধরেই ওই ছাত্রীকে উত্যক্ত করছিল অভিযুক্ত যুবক। এ ব্যাপারে ১৪ জানুয়ারি থানায় অভিযোগও দায়ের করে ছাত্রীর পরিবার। কিন্তু পুলিস কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। এরপরই একা পেয়ে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে প্রীতম দাস। ঘটনায় অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবিতে মালদা পুলিস সুপারের দ্বারস্থ হয়েছে নির্যাতিতার পরিবার। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত প্রীতম দাস পলাতক।

Post Your Comment

Total Comments:5

This is very very serious matter to all that rape, molestation against women/young girls increasing. The Govt should take appropriated action very seriously and no mercy shown. no politics shown.

such situations arise mostly because parents do not bother to interact with their sons and they bear a peculiar notion (false or real)in mind that their sons can do no such crime.Alertness of parents especially regarding type of friend-circle of their sons and their daily movement is of prime necessity to prevent crime against women.

J vabe sunchi dharshan ekebare sahajato abhese parinati hayeche. Ei vabe challe meyera baire berube ki kare. Eta amader lajjar.

eto dhorson hole to meyera porasuna korbe ki kore ans pl`s?

eto dhorson hole to meyera porasuna korbe ki kore ans pl`s?

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।