সাঁতরাগাছি ধর্ষণ কাণ্ডে পুলিসের ভূমিকার নিন্দা রাজ্য মহিলা কমিশনের

Last Updated: Friday, July 27, 2012 - 15:08

সাঁতরাগাছি ধর্ষণ কাণ্ডে পুলিসের ভূমিকা নিন্দনীয়। হাওড়া হাসপাতালে ধর্ষিতার সঙ্গে কথা বলে এই মন্তব্য করলেন রাজ্য মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন সুনন্দা মুখোপাধ্যায়। হাওড়ার পুলিস কমিশনারের কাছে ঘটনার রিপোর্ট তলব করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি, সেদিন জগাছা থানার সিসিটিভি ফুটেজও চেয়ে পাঠিয়েছে মহিলা কমিশন। সাঁতরাগাছিতে ধর্ষিতা মহিলাকে দেখতে শুক্রবার হাওড়া হাসপাতালে যান রাজ্য মহিলা কমিশনের প্রতিনিধিরা। নেতৃত্বে ছিলেন কমিশনের চেয়ারপার্সন সুনন্দা মুখোপাধ্যায়। ঘটনায় জগাছা পুলিসের ভূমিকার নিন্দা করেন তিনি। হাসপাতাল থেকে মহিলা কমিশনের প্রতিনিধিরা দেখা করেন হাওড়ার পুলিস কমিশনার অজেয় মুকুল রাণাডের সঙ্গে। পুলিস কমিশনারের কাছে ঘটনার রিপোর্ট চেয়েছেন তাঁরা। ঘটনার পরে জগাছা থানায় মহিলার সঙ্গে কী ব্যবহার করা হয়েছিল তা খতিয়ে দেখতে থানায় সেদিনের সিসিটিভি-ফুটেজে চেয়েছে রাজ্য মহিলা কমিশন। ইতিমধ্যেই জগাছা থানার এএসআই নির্মলেন্দু ঘোষকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। হাওড়া সিটি পুলিসের পাশাপাশি ধর্ষণকাণ্ডের তদন্ত শুরু করেছেন সিআইডিও।
গোটা ঘটনায় পুলিসের কোনও গাফিলতি ছিল কিনা, তা নিয়ে তদন্ত করতে হাওড়া পুলিসের এডিসি সাউথকে নির্দেশ দেন পুলিস কমিশনার। যদিও এই ঘটনায় এখনও অধরা অভিযুক্তরা। এদিকে হাওড়া হাসপাতালে ওই মহিলার বয়ানের ভিডিও রেকর্ডিং করেছে পুলিস। আক্রান্ত মহিলার অভিযোগ, গতকাল ভোরের দিতে সাঁতরাগাছি ব্রিজের তলায় নিয়ে গিয়ে এক দুষ্কৃতী তাঁকে মারধর করে ধর্ষণ করে। ছিনিয়ে নেয় কানের দুলও। তিনি জগাছা থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে পুলিস সেভাবে গুরুত্ব দেননি মহিলার কথায়। মহিলাকে হাসপাতালে ভর্তি করেন পরিবারের লোকজন। সেখানেই অভিযোগ নেয় পুলিস।

অন্যদিকে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযোগ নিতে অস্বীকার করে বিতর্কে জড়িয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিসও। ঘটনাটি ঘটেছে কাঁথি থানার উত্তর গারুয়া গ্রামে। বাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে হামলা চালানো ও দুই নাবালিকাকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ আনেন ভাড়াটিয়া। বাড়িওয়ালা লুতফর রহমান খানের সঙ্গে ভাড়াটে দিলরুবা বিবির মধ্যে বিবাদ দীর্ঘদিনের। দিলরুবা বিবির দাবি, বাড়িটি ১০ লক্ষ টাকায় তাঁকে বিক্রি করে দিতে রাজি হয়েছিলেন লুতফর রহমান খান। ৬ লক্ষ টাকা অগ্রিমও নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু পরে বাড়ি বিক্রি করতে অস্বীকার করেন লুতফর রহমান খান। তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করেন দিলরুবা বিবি। পাল্টা মামলা করেন লুতফর রহমান খান।
অভিযোগ, মঙ্গলবার রাতে দিলরুবা বিবির অনুপস্থিতে বাড়ির মধ্যে ঢুকে হামলা চালায় লুতফর রহমান খান ও কয়েক জন দুষ্কৃতী। তখন বাড়িতে ছিলেন দিলরুবা বিবির কয়েকজন আত্মীয়। হামলা চালানোর পাশাপাশি দুজন নাবালিকাকে মারধর ও ধর্ষণের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। পরে তাঁদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় পরিজনেরা। তাঁদের কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু ধর্ষণের ঘটনার অভিযোগ নিতে অস্বীকার করে কাঁথি থানার পুলিস।



First Published: Friday, July 27, 2012 - 17:40


comments powered by Disqus