রেভ পার্টির ছায়া এবার খোদ কলকাতাতেও

Update: July 16, 2012 22:35 IST

মুম্বইয়ের পর এবার কলকাতাতেও রেভ পার্টি  ঘিরে সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। রেভ পার্টিতে মাদক ব্যবহার নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। সেই সঙ্গে জড়িয়ে গেছে মাদক চক্রের নাম।

গত ২৯ জুন কলকাতাতেই পুলিস এক বড়সড় মাদক চক্রের কয়েকজনকে গ্রেফতার করে। তাদের মধ্যে ছিল ২ জন বিদেশি। একজন নাইজেরিয়ান ও একজন দুবাইয়ের বাসিন্দা। এই চক্র সম্পর্কে খোঁজখবর নিতে গিয়েই পুলিস জানতে পারে এর সঙ্গে জড়িত কলকাতার এক ব্যবসায়ীও। কিন্তু ঘটনার পর থেকেই সে ফেরার। তখনই সামনে আসে অন্য একটি ঘটনা। পুলিস জানতে পারে, ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধেই রেভ পার্টিতে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছেন এক মহিলা রেডিও জকি। যে রেভ পার্টি হয়েছিল আবার মিডলটন রো-র বাসিন্দা ওই ব্যবসায়ীর বাড়িতেই। গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলকাতায় রেভ পার্টি এবং মাদক চক্র নিয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে এল।  






Post Your Comment

Total Comments:3

Avi asa hua hai k bangal police ko koye v allow (care) nahi karta ..... sarkar ka kuchh kuchh karea... a suchit karta hai k sarkar rajya ko thik say control nahi kar sak ta........police k or v active honacha he a....

I love you my parti CPIM(SFI)

I love you my parti CPIM(SFI)

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।