সল্লু যখন সুপারহিরো

Update: June 14, 2012 22:44 IST

শাহরুখ `জিওয়ান` খান ও হৃতিক `কৃষ` রোশনের পর এবার সুপারহিরোর ভূমিকায় আসছেন সলমন। সোহেল খান প্রযোজিত `শের খান` ছবিতে সলমনকে দেখা যাবে শের খানের ভূমিকায়। তবে জিওয়ান বা কৃষের থেকে শের খান অনেকটাই আলাদা বলে জানিয়েছেন সোহেল।

`শের খান`-এর চিত্রনাট্য লিখেছেন রুমি জাফরি। রুমির কথা অনুযায়ী একদম নতুন ধরনের স্পেশ্যাল এফেক্টস ব্যবহার করা হবে ছবিতে। যা বলিউডে আগে হয়নি। এমনকী বস্তাপচা সুপারহিরো মার্কা অ্যাকশনও থাকবে না ছবিতে। কেরালার সনাতনি মার্শাল আর্ট স্টাইলে লড়তে দেখা যাবে শের খানকে।

কিন্তু হৃতিক বা শাহরুখ সুপারহিরো হয়ে যা করেছেন, সলমন সুপারহিরো না হয়েই তা করে ফেলেছেন। তাহলে শের খান হয়ে ঠিক কী করতে দেখা যাবে সলমনকে ? `দাবাং টু`-র চিত্রনাট্যকার সলমন ঘনিষ্ঠ দিলীপ শুক্লা জানিয়েছেন, "সলমনের প্রচুর খুদে ভক্ত রয়েছেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত ছোটদের জন্য কোনও ছবিতে অভিননয় করেননি সলমন। তাই মূলত বাচ্চাদের কথা ভেবেই শের খানের অ্যাকশন প্ল্যান করছেন সোহেল।"

শের খানের হিরোইনের ভূমিকায় কাকে দেখা যাবে সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া এখনও বাকি। ১০০ কেটিরও বেশি বাজেটের ছবি `শের খান`-এর শুটিং শুরু হবে চলতি বছরের অক্টোবর মাসে।








Post Your Comment

Total Comments:2

Sallu is the best......

Oah....mere sher....

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।