ক্যাটের সাফল্যে নিজেকে ক্রেডিট দিতে নারাজ সলমন

Update: August 7, 2012 22:01 IST

কিছুদিন আগেই ক্যাটরিনা কাইফ নিজেই জানিয়েছিলেন সাফল্যের জন্য শুধুমাত্র সলমনকে ক্রেডিট দিতে তিনি নারাজ। এবার সলমনও বললেন সেই কথাই। সল্লু মিঞার বক্তব্য, বলেছিলেন ক্যাটরিনার উত্তরণের পথে তাঁর কোনো কনট্রিবিউশন নেই। সেক্ষেত্রে ক্যাটের হার্ড ওয়ার্কটাই আসল। ক্যাটরিনার মেন্টর সালমান যথেষ্ট বিনয়ের সঙ্গেই বলেছেন ক্যাটের সাফল্যে বহু চিত্রনির্মাতাদের সমানভাবে অবদান রয়েছে। যাঁরা তাঁদের ফিল্মে ক্যাটরিনাকে কাস্ট করেছেন। তবে নিজের সাফল্যের জন্য ক্রেডিট না দিলেও ক্যাটরিনা বারবারই বলেন সালমান একজন বড় মাপের মানুষ। তাঁর থেকে অনেক কিছু শিখেছেন তিনি। এমনকী সলমনকে নিজের অভিভাবক ভাবেন বলেও জানান তিনি।

"এক থা টাইগার" মুক্তি পেতে চলেছে আগামী ১৫ই আগষ্ট। ছবিতে তাঁদের একসঙ্গে কাজ করা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। রুপোলি পর্দায় তাঁদের জুটির সাফল্যের ব্যাপারেও আশাবাদী ক্যাট। প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালে আজন্ম প্রবাসী আধা ব্রিটিশ ক্যাটরিনা কাইফকে টিনসেল টাউনে নিয়ে আসেন সলমনই। বাকিটা ইতিহাস। ১০ বছর পর সলমনকে ক্রেডিট দিতে রাজি না হলেও ক্যাটের সাফল্যের সিঁড়ি চড়ার পিছনে সলমনের অবদান যে অনস্বীকার্য সে কথা সকলেই জানেন।


Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।