হাতির উপদ্রবে বন্ধের মুখে স্কুল

প্রায়শই জঙ্গল থেকে গ্রামে ঢুকে পড়ে হাতির পাল। তাই উপায়ন্তর না দেখে গ্রাম খালি করে অন্যত্র চলে গিয়েছেন বাসিন্দারা। আর গ্রামের স্কুল? ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা কমতে কমতে এসে দাঁড়িয়েছে পঁচিশ। হাতির হানার ভয়ে ছেলেমেয়েকে স্কুলে পাঠাতেও ভয় পান অভিভাবকেরা।

Updated: Nov 23, 2011, 03:15 PM IST

প্রায়শই জঙ্গল থেকে গ্রামে ঢুকে পড়ে হাতির পাল। তাই উপায়ন্তর না দেখে গ্রাম খালি করে অন্যত্র চলে গিয়েছেন বাসিন্দারা। আর গ্রামের স্কুল? ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা কমতে কমতে এসে দাঁড়িয়েছে পঁচিশ। হাতির হানার ভয়ে ছেলেমেয়েকে স্কুলে পাঠাতেও ভয় পান অভিভাবকেরা। এই পরিস্থিতিতে স্কুল অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা ভাবছেন কর্তৃপক্ষ। শিলিগুড়ির কাছে বৈকুণ্ঠপুর জঙ্গলের ভিতরেই এই পানিয়াফাপড়ি গ্রাম। একসময় পঞ্চাশ-বাহান্নটি পরিবার বাস করত এই গ্রামে। কিন্তু, এখন কার্যত নিশ্চিহ্ম গোটা গ্রামটাই। প্রতিদিনই গ্রামে হানা দেয় হাতির পাল। আগে দিত না এমন নয়। কিন্তু, এখন উপদ্রব অনেকগুণ বেড়েছে। কিন্তু কেন? বন দফতরের দাবি, নিয়মিত পাহাড়া দিচ্ছেন তারা। হাতি তাড়ানোর সবরকমের বন্দোবস্তও রয়েছে। কিন্তু, তা সত্ত্বেও কয়েকদিন আগেই এক স্কুলপড়ুয়াকে মেরে ফেলেছে একটি হাতি। আতঙ্কে ছেলেমেয়েদের জঙ্গলের মধ্যে থাকা স্কুলে আর পড়াশোনা করতে পাঠান না অভিভাবকেরা। স্কুলে এখন সাকুল্যে পড়ুয়ার সংখ্যা পঁচিশ। তারাও আর কতদিন আসবে, তা নিয়ে সংশয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ।