মুখ্যমন্ত্রীর মামারবাড়ির গ্রামও `নেই` রাজ্যের বাসিন্দা

বীরভূমের রামপুরহাটের কুসুম্বা গ্রাম। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামাবাড়ি হওয়ার সুবাদে আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে এই গ্রামের  উন্নয়নের দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিকমহলের।  গ্রামবাসীদের অভিযোগ, গত পাঁচবছরে পঞ্চায়েত সমিতিতে তৃণমূল ক্ষমতায় থাকলেও এলাকায় তেমন উন্নয়ন হয়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বিতীয় দফায় রেলমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে মামাবাড়ির অবস্থা বদল নিয়েও উঠেছে বেশকয়েকটি অস্বস্তিকর প্রশ্ন।

Updated: Jul 20, 2013, 07:45 PM IST

বীরভূমের রামপুরহাটের কুসুম্বা গ্রাম। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামাবাড়ি হওয়ার সুবাদে আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে এই গ্রামের  উন্নয়নের দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিকমহলের।  গ্রামবাসীদের অভিযোগ, গত পাঁচবছরে পঞ্চায়েত সমিতিতে তৃণমূল ক্ষমতায় থাকলেও এলাকায় তেমন উন্নয়ন হয়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বিতীয় দফায় রেলমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে মামাবাড়ির অবস্থা বদল নিয়েও উঠেছে বেশকয়েকটি অস্বস্তিকর প্রশ্ন।
তৃতীয় দফার পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগের রাতে বৃহস্পতিবার প্রায় ১২বছর পর বীরভূমের কুসুম্বা গ্রামে আসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এই প্রথমবার।
 
বাইশে জুলাই চতুর্থ দফার পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভোটগ্রহণ হবে বীরভূমেও। মুখ্যমন্ত্রীর মামবাড়ি এই কুসুম্বা গ্রামে উন্নয়নের ছবিটা কেমন? 
 
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এনডিএ আমলে রেলমন্ত্রী থাকাকালীনও কুসুম্বা গ্রামে মামাবাড়ি ছিল খড়ের চালের। এরপর সময় যত গড়িয়েছে অবস্থা বদলেছে পরিবারের। এখন তিনতলার বিলাসবহুল  পাকা বাড়ি। দ্বিতীয় দফায় মমতা বন্দোপাধ্যায় রেলমন্ত্রী থাকাকালীন স্থানীয়দের রেলে চাকরির ব্যাপারে মামাবাড়ির স্বজনপোষণেরও অভিযোগ উঠেছে।  
 
মুখ্যমন্ত্রীর মামা অনিল মুখার্জি নিজে রাজনীতি করেন না। কিন্তু তাঁর ছেলে নীহার মুখার্জি ও বৌমা পম্পা মুখার্জি আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নীহারবাবু।
 
আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে খরুন গ্রামে জাতীয় কংগ্রেস প্রার্থী হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীরই মাসতুতো বোন অর্চনা চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর বোন হয়ে হঠাত জাতীয় কংগ্রেস প্রার্থী কেন হলেন তিনি?
অনুন্নয়ন, রেলে চাকরির স্বজনপোষণসহ একাধিক অভিযোগ সামলে মুখ্যমন্ত্রীর মামাবাড়ি কুসুম্বা গ্রামে ক্ষমতা ধরে রাখাই এখন তৃণমূলের কাছে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ।