কেএলও জঙ্গি ধৃত

Update: April 19, 2012 22:37 IST

কেএলও সুপ্রিমো জীবন সিংহের ঘনিষ্ঠ দুই কেএলও জঙ্গিকে গ্রেফতার করল নকশালবাড়ি থানার পুলিস। ভারত-নেপাল সীমান্তের পানিট্যাঙ্কি থেকে ধরা পড়ে সুদীপ সরকার ওরফে পিন্টু বড়ুয়া নামে এক কেএলও জঙ্গি। তাঁকে জেরা করে পরে শিলিগুড়ির খড়িবাড়ি থেকে ধরা হয় কাচালু সিংহ নামে এক লিঙ্কম্যানকে। দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদের পর আজ বিকেলে দুজনকেই গ্রেফতার করে পুলিস। ধৃতদের কাছ থেকে কয়েকটি মোবাইল ফোন-সহ বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার হয়েছে।

জানা গিয়েছে, পাঁচটি ভাষায় পারদর্শী ও কম্পিউটার প্রশিক্ষিত সুদীপ সরকারের বাড়ি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায়। তাঁর মাধ্যমেই উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনগুলির সঙ্গে উত্তরবঙ্গে কেলএলও-র যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছিল। মায়ানমারে চলে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল ওই জঙ্গির। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিস তাকে ধরে ফেলে। ধৃতদের আগামিকাল আদালতে তোলা হবে।     

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।