পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূলকে জমি ছাড়তে নারাজ সোনিয়া

পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূলকে জমি ছাড়তে নারাজ সোনিয়া

পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূলকে জমি ছাড়তে নারাজ সোনিয়াপঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূলকে বিনা যুদ্ধে জমি ছাড়বে না কংগ্রেস। মালদার সভায় সেকথাই স্পষ্ট করে দিলেন সোনিয়া গান্ধী। আজ নারায়ণপুরে বরকত গণি খান চৌধুরীর নামাঙ্কিত ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি ও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী এবং কংগ্রেস সভানেত্রী। আমন্ত্রিত হওয়া সত্ত্বেও অনুষ্ঠান গরহাজির ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

উপলক্ষ্য বরকত খনি চৌধুরী ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন। উপস্থিত প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, ইউপিএ চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধী। কিন্তু আমন্ত্রণ পেয়েও আসেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হাজিরা আর গরহাজিরার এই ছবিটাই যেন ছিল গোটা অনুষ্ঠান জুড়ে। কংগ্রেস সভানেত্রী টার্গেট করলেন মুখ্যমন্ত্রীকেই। পঞ্চায়েতে মহিলাদের জন্য পঞ্চাশ শতাংশ সংরক্ষণ তাঁর সরকারের কৃতিত্ব বলে বিভিন্ন সভায় দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই দাবি উড়িয়ে দিলেন সোনিয়া গান্ধী।

গ্রামোন্নয়ন, নারী কল্যাণ, শিক্ষা বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইউপিএ সরকারের সাফল্যের নানা খুঁটিনাটি তথ্যও তুলে ধরেন সোনিয়া গান্ধী।   

প্রধানমন্ত্রীও তাঁর বক্তব্যে তুলে ধরলেন রায়গঞ্জে এইমস, মুর্শিদাবাদে আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা তৈরির কথা।

মালদার রাজনীতিতে শেষ কথা ছিলেন গনিখান চৌধুরী। তাঁর নামে ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটের উদ্বোধন অনুষ্ঠান বুঝিয়ে দিল, গনিখান ছাড়া মালদা আর রাজনীতি ছাড়া গনিখান এখনও অসম্ভব। তাঁর নামাঙ্কিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানেই কার্যত পঞ্চায়েত ভোটের প্রচার শুরু করে দিয়ে গেলেন সোনিয়া গান্ধী। 

First Published: Saturday, March 16, 2013, 17:29


comments powered by Disqus