আইপিএলে খেলা নিয়ে জল্পনা জিইয়ে রাখলেন সৌরভ

Update: May 23, 2012 22:28 IST

পরের আইপিএলে খেলার সম্ভাবনা জিইয়ে রাখলেন সৌরভ গাঙ্গুলি। এবছর আইপিএলে পুনে ওয়ারিয়র্সের খারাপ পারফরম্যান্সের পর দলের কর্ণধার সুব্রত রায় জানিয়ে দেন, পরের বছর সৌরভ মেন্টর হবেন। তিনি আর ক্রিকেটার হিসাবে খেলবেন না। এরপর ক্রিকেটপ্রেমীরা ধরেই নেন ষষ্ঠ আইপিএলে আর খেলবেন না ভারতের এই প্রাক্তন অধিনায়ক। কিন্তু এই জল্পনার অবসান ঘটালেন খোদ সৌরভ । তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, সামনের আইপিএল যখন চলবে তখন তাঁর বয়স চল্লিশও হবে না। ফলে এই বয়সে কোনও ক্রিকেটারের খেলায় কোন সমস্যা হতে পারে না। সৌরভ বলেন পারফরম্যান্সের দিকটা যদি ধরা হয় তাহলে দেখা যাবে অনেক অধিনায়কই তাঁর থেকে খারাপ পারফরম্যান্স করেছেন।

পঞ্চম আইপিএলে কে চ্যাম্পিয়ন হবে এই প্রশ্নে সৌরভ ব্যাট ধরেছেন নিজের পুরনো দল কেকেআরের হয়েই। তাঁর মতে সুনীল নারিনের মত স্পিনার দলে থাকায় বাড়তি সুবিধা পাচ্ছেন গম্ভীররা। শাহরুখ খান বিতর্কেও তাঁর প্রাক্তন দলের কর্ণধারের পাশেই দাঁড়িয়েছেন তিনি। তাঁর মতে এটা ছোট্ট ঘটনা। আলোচনার মাধ্যমেই তা মিটিয়ে নেওয়া যেতে পারে। 

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।