সিরিয়ালের দৃশ্য অনুকরণ করতে গিয়ে মৃত্যু ছাত্রের

Update: January 23, 2013 08:23 IST

টিভি সিরিয়ালে আত্মহত্যার দৃশ্য অনুকরণ করতে গিয়ে মৃত্যু হল সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রের। উত্তর চব্বিশ পরগনার অশোকনগরে এই ঘটনাটি ঘটেছে। মৃত মিলন পাল কল্যানগড় বিদ্যামন্দিরের ছাত্র।  বাবা পেশায় মিল শ্রমিক। মা বিড়ি বাঁধার কাজ করেন। গতকাল স্কুলে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা থাকায় অর্ধেক ক্লাসের পর ছুটি হয়ে যায়।

বাড়ি ফিরে মিলন তার ছোট ভাইকে সিরিয়ালের দেখা দৃশ্য অনুকরণ করার জন্য সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস লাগিয়ে ঝুলে পড়ে। সেইসময় প্রতিবেশীরা ঘটনাটি লক্ষ্য করে ছুটে এসে ওই কিশোরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানেই চিকিত্‍সকরা মিলন পালকে মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। 

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।