অশোকনগরে গুলিবিদ্ধ ছাত্র

Update: April 24, 2012 12:07 IST

দু`দল সমাজবিরোধীর গোলাগুলির মধ্যে পড়ে গুরুতর জখম হল এক ছাত্র। সোমবার ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর চব্বিশ পরগনার অশোকনগরে। গুলিবিদ্ধ ছাত্র অনিকেত সিংহকে একটি বারাসতের বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক।

সোমবার সন্ধেয় পড়ে ফিরছিল একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অনিকেত সিংহ। স্কুলেরই ছাত্রাবাসে থাকে ওই ছাত্র। সেই সময় ছাত্রাবাসের সামনেই দুই দল সমাজবিরোধীর মধ্যে গুলি, বোমাবাজি চলছিল। তার মধ্যেই পড়ে যায় অনিকেত। তাঁর পেটে গুলি লাগে। মাটিতে লুটিয়ে পড়ে অনিকেত। চিত্‍কার শুনে ছুটে আসে সহপাঠীরা। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অনিকেতের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিত্‍সকরা।

পুলিস গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। গোলাগুলির মধ্যে অনিকেত এসে পড়েছিল, না কোনও অসামাজিক কাজ দেখে ফেলাতেই তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল দুষ্কৃতীরা, তা এখন খতিয়ে দেখছে অশোকনগর থানার পুলিস।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।