সরকারি স্কুলে গ্রীষ্মের ছুটি ১৭ জুন পর্যন্ত

Update: June 5, 2012 18:14 IST

তীব্র দাবদাহ। চল্লিশ পেরিয়ে তাপমাত্রার পারদ যেন উঠেই চলেছে। জ্বালা ধরাচ্ছে আদ্রর্তাও। অসহ্য গরমে স্কুলে গিয়ে অসু্স্থ হয়ে পড়েছিল পড়ুয়ারা। এই অবস্থায় সরকারের কাছে গ্রীষ্মের ছুটির মেয়াদ বাড়ানোর আর্জি জানিয়েছিলেন অভিভাবক, স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকারা সকলেই। পরিস্থিতি বিচার করে রাজ্যের সমস্ত প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্কুলগুলির ছুটির মেয়াদ ১৭ জুন পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল স্কুল শিক্ষা দফতর।

পূর্ব নির্ধরিত সূচী অনুযায়ী ২ জুন খুলে গিয়েছিল রাজ্যের প্রাথমিক স্কুলগুলি। সরকারি নির্দেশে মঙ্গলবার থেকে ফের ছুটি দিয়ে দেওয়া হল পড়ুয়াদের। সরকারি স্কুলের পাশাপাশি এদিন রাজ্যের সরকারি অনুদান প্রাপ্ত স্কুলগুলিকেও ১৭ তারিখ পর্যন্ত বন্ধ রাখার আর্জি জানানো হয়েছে। তারপর আবহাওয়ার গতিবিধি বুঝে স্কুল খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে স্কুলগুলির গরমের ছুটি বাড়ানো হলেও, শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীদের স্কুলে আসতে হবে। বিভিন্ন স্কুলে ভর্তির প্রক্রিয়া চলায় তাদের ছুটি বাড়ানো যায়নি। 
 
অন্যদিকে নজিরবিহীনভাবে আগামী সোমবার পর্যন্ত কাজ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন হাইকোর্টের আইনজীবারাও। কাঠফাটা রোদ, তীব্র তাপপ্রবাহের জেরে কাজ করা অসম্ভব বলে জানিয়েছেন হাইকোর্টের আইনজীবীরা। গত শুক্রবারই খুলেছিল আদালত। কিন্তু গরমের জন্য আগামী সোমবার পর্যন্ত কাজ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আইনজীবীরা। সোমবার ফের তারা বৈঠকে বসবেন। পরিস্থিতি বুঝে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।







Post Your Comment

Total Comments:7

Teachers do not admit students to Schools. In stead ,it becomes a liability to the Head of any Institution and The Head-clerk -as far as i know.........

Reply to Ranajit Gorai : Keno? primary teacher ra nijeder schoole giye 11 er student-der admission nebe.

jodi students schoole na ase tahole primary schooler teacher schoole giye ki kaj korbe? tughlaki sarkarer paglami ordinance.

Teachers also need extended vacation.

Je sab school madhyamik parjanta arthart bhartir kono bapar nei, se school a ki teacher der jete habe? Student na ale teacher school karbe ki? Sanbad ta pariskar kare prakas karas anurodh raila.

primary school teacher ki school e giye gorom enjoy korbe?

primary schooler teacher schoole giye ki kaj korbe.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।