সৌজন্যের নজির গড়ে তপন দত্তের বাড়িতে বিরোধী দলনেতা

Update: November 23, 2012 09:26 IST

প্রায় নজিরবিহীন ভাবে আজ এক নিহত তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীর বাড়িতে যাচ্ছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্র। তাঁর সঙ্গে যাচ্ছেন বাম পরিষদীয় দলের কয়েকজন প্রতিনিধি। কিছুদিন আগে, বালিতে প্রকাশ্যে খুন হন তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী তপন দত্ত। রাজনীতির পাশাপাশি, পরিবেশ রক্ষার কাজেও যথেষ্ট সক্রিয় ছিলেন তিনি। বালি এলাকায় জলাভূমি ভরাটের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছিলেন তিনি। তাঁর পরিবারের অভিযোগ, জমি চক্রের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরাই খুন করেছিল তপন দত্তকে। খুনের পর বালি থানায় তাঁর পরিবারের দায়ের করা এফআইআর-এ নাম ছিল তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী অরুপ রায়ের। তপন দত্তের স্ত্রী প্রতিমা দত্তের অভিযোগ, প্রভাব খাটিয়ে এফআইআর থেকে নিজের নাম কাটিয়ে দেন ক্ষমতাশালী মন্ত্রী অরুপ রায়।

কয়েকদিন আগে বিধানসভায় গিয়ে সূর্যকান্ত মিশ্রের সঙ্গে দেখা করেন প্রতিমা দেবী। বিরোধী দলনেতাকে তিনি জানান, তপন দত্তের খুনিদের খুঁজে বের করা তো দূরের কথা, প্রতি মুহূর্তে শাসানো হচ্ছে তাঁদের। গত বৃহস্পতিবারই বালিতেই ভোঁজালি দিয়ে হামলা চালানো হয় তপন দত্তের ভাগ্নে পিন্টু ধরের উপর। এখন আতঙ্কিত পরিবারের দাবি, বিরোধী দল তাঁদের নিরাপত্তার দাবি জানাক রাজ্য সরকারের কাছে। বামেদের বক্তব্য, আতঙ্কিত পরিবারকে আশ্বস্ত করতেই বালি যাচ্ছেন তাঁরা।

Post Your Comment

Total Comments:3

মানবিকতাই প্রগতিশীল দৃষ্টিভঙ্গি !!

মানবিকতার প্রকৃষ্ট নিদর্শন. এটাই হওয়া উচিত একজন প্রকৃত রাজনীতিবিদ এর কাজ.

very good job, only true human can do it. TMC can not think beyond dirt politics

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।