রক্তের অভাবে মৃত্যু হল থ্যালাসেমিয়া আক্রান্তের

Update: May 21, 2012 15:24 IST

হাসপাতাল সময়মতো রক্ত দিতে না-পারায় মৃত্যু হল থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত এক বালকের। রবিবার তাকে  বহরমপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বনি মণ্ডল নামে ওই বালকের খুব তাড়াতাড়ি রক্তের প্রয়োজনের বলে জানান চিকিত্‍সক। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে রক্ত না-মেলায় সোমবার ভোরে মৃত্যু হয় ওই বালকের।

কয়েকদিন ধরেই বারেবারে অসুস্থ হয়ে পড়ছিল মুর্শিদাবাদের ডোমকল থানা এলাকার বাসিন্দা বনি মণ্ডল। রক্তের অভাবেই এমন ঘটছে বুঝতে পেরে রক্তদান শিবিরের খোঁজ করতে শুরু করেন বনির বাবা মইনুল হক মণ্ডল। জানতে পারেন ২০ মে বহরমপুর হাসপাতালে শিবির হবে। সেইমতো রবিবার বিকেলে সঙ্কটজনক অবস্থায় বনিকে বহরমপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ভর্তির পরই বনিকে রক্ত দেওয়া প্রয়োজন বলে জানিয়ে দেন চিকিত্‍‍সক। অভিযোগ, রক্ত নেই বলে তাঁদের ফিরিয়ে দেয় ব্লাড ব্যাঙ্ক।
 
রাতভর চেষ্টা করেও আর রক্তের বন্দোবস্ত করতে পারেননি বনির পরিবারের সদস্যেরা। শেষ পর্যন্ত সোমবার ভোর চারটে নাগাদ ওই বালকের মৃত্যু হয়। এরপরই গাফিলতির অভিযোগে হাসপাতালে বিক্ষোভ দেখান মৃত বালকের পরিবারের লোকজন।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।