তৃণমূলের তাণ্ডব এবার রাজ্য প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে

Update: February 19, 2013 18:20 IST

তাণ্ডব চালিয়ে রাজ্য প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলের বৈঠক ভেস্তে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল সমর্থিত কর্মচারী ইউনিয়নের বিরুদ্ধে। আজ ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলের বৈঠক শুরু হওযার কথা ছিল বেলা সাড়ে বারোটা নাগাদ। তার ঠিক আগেই উপাচার্যের ঘরে গিয়ে অস্থায়ী কর্মীদের স্থায়ীকরণের দাবি জানান তৃণমূল সমর্থিত সারা বাংলা শিক্ষাবন্ধু সংগঠনের সমর্থকেরা।

উপাচার্য তাঁদের জানিয়ে দেন, স্থায়ীকরণের ক্ষমতা এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলের হাতে নেই। এরপরেই উপাচার্যের ঘরের সামনে বসে পড়ে অবস্থান-বিক্ষোভ শুরু করেন কর্মচারীরা। এর জেরে উপাচার্য আটকা পড়েন তাঁর ঘরের মধ্যেই। ফলে ভেস্তে যায় এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলের বৈঠক।

Post Your Comment

Total Comments:3

Mamta is not only following the footsteps of CPM but is trying her best to outgloom them. Murder culture was brought in India by Communists who believe in eliminating all those who do not follow or agree with them and it has spread among all political parties of Bengal who are happy killing each other. The so called intellectuals never opposed that when they were respected and now it is beyond their power to do anything. The political atmosphere of Bengal has, to a great extent, become like Pakistan.

SARA BANGLA JURAITO TRINIMUL TANDAB CHALACHHE

মা মাটি মানুষ যুগ যুগ জিও ।দিদি আপনি দেখে জান কথা বলবেন না ওরা শুনতে পাবে ।পরে গদি কেরে নিতে পারে

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।