দুবরাজপুরে পুলিসি অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন তৃণমূল জেলা সভাপতি

Last Updated: Thursday, November 8, 2012 - 21:19

দুবরাজপুরের লোবা গ্রামে পুলিসি অভিযানের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ানে উঠে এসেছে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অনুব্রত মণ্ডলই পুলিসকে প্ররোচিত করেছিলেন গুলি চালানো জন্য।
দুবরাজপুরে পুলিস-জনতা সংঘর্ষে গ্রামবাসীদের কোনও দোষ দেখতে পাননি মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর চোখে পুলিসও ছিল নিরপরাধ। ঘটনার পিছনে মুখ্যমন্ত্রী দেখেছিলেন ষড়যন্ত্র। আর তাঁর শিল্পমন্ত্রীর অভিযোগ ছিল, পুলিসের ওপর হামলা চালিয়েছে সিপিআইএম ও কংগ্রেস। পরে অবশ্য বয়ান বদল করে উগ্র বামপন্থীদের দোষারোপ করেন তিনি। যদিও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে শিল্পমন্ত্রীর বয়ান মিলছে না। তাঁদের অভিযোগ পুলিসকে নিয়ে এসে গ্রামে হামলা চালিয়েছে স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। সরাসরি অভিযোগ উঠেছে বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে। অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়াই শুধু নয়, অনুব্রত মণ্ডল পুলিসকে খুনের প্ররোচনা দিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ গ্রামবাসীদের।
দুবরাজপুরে পুলিস-জনতা সংঘর্ষে গ্রামবাসীদের কোনও দোষ দেখতে পাননি মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর চোখে পুলিসও ছিল নিরপরাধ। ঘটনার পিছনে মুখ্যমন্ত্রী দেখেছিলেন ষড়যন্ত্র। আর তাঁর শিল্পমন্ত্রীর অভিযোগ ছিল, পুলিসের ওপর হামলা চালিয়েছে সিপিআইএম ও কংগ্রেস। পরে অবশ্য বয়ান বদল করে উগ্র বামপন্থীদের দোষারোপ করেন তিনি। যদিও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে শিল্পমন্ত্রীর বয়ান মিলছে না। তাঁদের অভিযোগ পুলিসকে নিয়ে এসে গ্রামে হামলা চালিয়েছে স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। সরাসরি অভিযোগ উঠেছে বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে। অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়াই শুধু নয়, অনুব্রত মণ্ডল পুলিসকে খুনের প্ররোচনা দিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ গ্রামবাসীদের।



First Published: Thursday, November 8, 2012 - 21:19


comments powered by Disqus