দলীয় কর্মী হলেই বন্দিমুক্তি, মুচলেকা বিলি তৃণমূলের

Update: June 7, 2012 12:38 IST

ফের বন্দিমুক্তিকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হল জঙ্গলমহলে। তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী হিসাবে আবেদন করলেই বন্দিমুক্তির সুযোগ মিলবে। এই মুচলেকা বিলির অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে।

তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হবে। যদিও গত এক বছরে বন্দি মুক্তির বিষয়টি খুব একটা এগোয়নি। জঙ্গলমহলের বহু মানুষ এখনও জেলবন্দি রয়েছেন। এই অবস্থায় জঙ্গলমহলের রাজনৈতিক বন্দিদের পরিবারগুলির কাছে ওই চিঠি বিলি করা হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে। মুখ্যমন্ত্রীকে সম্মোধন করা ওই চিঠিতে স্পষ্ট লেখা রয়েছে মা-মাটি-মানুষের আন্দোলন করার অপরাধেই বিগত সরকারের আমলে বন্দি করা হয়েছে। সেকারণেই এখন নিশর্ত মুক্তির দাবি জানাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা তাঁর পরিবার।

জঙ্গলমহলের তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক চূড়ামণি মাহাত অবশ্য জানিয়েছেন, সব দলের বন্দিদেরই এই সুযোগ পাওয়া উচিত। অন্যদিকে ঝাড়খণ্ড পার্টির নরেন হাঁসদা গোষ্ঠীর নেত্রী চূনিবালা হাঁসদা মনে করেন এ এক সংকীর্ণ রাজনীতি। যার বলি হচ্ছেন জঙ্গলমহলের মানুষ।






Post Your Comment

Total Comments:7

Eder mukhe ganatanter kotha sunle hasi pai.

Eder mukhe ganatanter kotha sunle hasi pai.

Eder mukhe ganatanter kotha sunle hasi pai.

Churanta dalbaji o dalatantrer najir.....

e jadi sattya hay....banglar boro durdin.ma mati manuser slogan mithya hoye jabe,paribartan sudhui poster hoye jhulbe

Churanta dalbaji o dalatantrer najir......

Churanta dalbaji o dalatantrer najir......

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।