ভাসানে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, আহত ১২

Update: November 19, 2012 12:37 IST

তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জের গড়াল কালীপুজোর ভাসানেও। গতরাতে বারুইপুরে দুটি ক্লাবের মধ্যে সংঘর্ষে আহত হয়েছেন প্রায় ১২ জন। ওই দুটি ক্লাবের শীর্ষপদে রয়েছেন তৃণমূলের দুই কাউন্সিলর। অভিযোগ, তাঁদের মধ্যে এক কাউন্সিলরের নেতৃত্বে হামলা হয়। আহতদের মধ্যে তিন জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এলাকার পরিস্থিতি থমথমে। গত বৃহস্পতিবার কালীপুজোর প্রতিমা ভাসানের সময় থেকে বিবাদ শুরু হয়েছিল বারুইপুরের দুটি ক্লাবের মধ্যে। সাহাপাড়া প্রগতি সংঘের পুজো মূলত তৃণমূল কাউন্সিলর বিভাস সর্দারের পুজো বলে এলাকায় পরিচিত। উল্টোদিকে, নেতাজী স্পোর্টিং ক্লাবের কালীপুজো আরেক তৃণমূল কাউন্সিলর মিতা দত্তের পাড়ার পুজো। অভিযোগ, দুটি ক্লাবের মধ্যে ভাসান নিয়ে গণ্ডগোলে ঘৃতাহুতির কাজ করেছে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব।    
চাপা উত্তেজনা চলছিল গত দু-তিন দিন ধরে। ঝামেলা মিটিয়ে ফেলার জন্য দুই কাউন্সিলরের উপস্থিতিতে রবিবার সকালে বৈঠকও হয়। তবে পরিস্থিতি আমূল বদলে যায় রাতের মধ্যে। তৃণমূল কাউন্সিলর বিভাস সর্দারের নেতৃত্বে নেতাজী স্পোর্টিং ক্লাবে হামলার অভিযোগ উঠেছে। পাল্টা অভিযোগ আনা হয়েছে সাহাপাড়া প্রগতি সংঘের পক্ষ থেকেও। দুপক্ষের চাপানউতোরে এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বারুইপুরের এসডিপিও-র নেতৃত্বে বিশাল পুলিসবাহিনী রাতে ঘটনাস্থলে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ করতে হয়। সংঘর্ষে আহতদের ভর্তি করা হয় বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে। পরে রাতেই আশঙ্কাজনক অবস্থায় তিনজনকে কলকাতায় চিত্তরঞ্জন হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।  

Post Your Comment

Total Comments:1

BIBRITI OF MAMATA BANERJEE. AMAR KACHE KHOBOR AACHE JE KICHU CPMER DUSKRITIRA TRINOMULER NAME HAMLA KORECHE ABONG HARMAD BAHINIR CHAMCHARA ETAKE TRINOMULER GOSTI DHANDHO BOLE PROCHAR KORCHEN.HARMAD KOTHAY KAN DEBEN NA.AMI APNADER SATHE ACHI.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।