ফের ইটাহার কলেজে অবস্থান-বিক্ষোভ টিএমসিপির

Update: July 5, 2012 23:22 IST

নতুন করে মেরিট লিস্টের দাবিতে ইটাহার মেঘনাদ সাহা কলেজে অবস্থান-বিক্ষোভ করল তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। তার জেরেই আটকে যায় কলেজের ভর্তি প্রক্রিয়া। বৃহস্পতিবার অধ্যক্ষার সঙ্গে বৈঠকে বসেন অধ্যাপক-অধ্যাপিকারা। স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য ১০ শতাংশ আসন সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত হয় বৈঠকে। বুধবারই তিরিশ শতাংশ আসন সংরক্ষণের দাবিতে অধ্যক্ষ-অধ্যাপিকাদের ঘেরাও করে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ।

মেঘনাদ সাহা কলেজে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সমর্থকদের হাতে নিগৃহীত হলেন অধ্যক্ষা স্বপ্না মুখার্জি। আসন সংখ্যা বৃদ্ধির দাবিতেই প্রায় ১০ ঘণ্টা অধ্যক্ষা সহ অন্যান্য অধ্যাপিকাদের ঘেরাও করে রাখে টিএমসিপি সমর্থকরা। অবশেষে, পুলিস এসে ঘেরাও মুক্ত করে অধ্যক্ষাকে। তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয় স্বপ্নাদেবীর ঘরে। পরে বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ ইটাহার থানার পুলিস এসে তালা খুলে অধ্যক্ষার সঙ্গে আলোচনায় বসে। আসেন বিডিও, আসেন ডিএসপি সদর, ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট সৌর মণ্ডল। পুলিস এসে তালা খুললেও স্বপ্নাদেবীকে ফের ঘেরাও করে টিএমসিপি সমর্থকেরা। প্রায় ৯ ঘণ্টা পর ঘেরাও তুলে নেওয়া হয়। টিএমসিপি-র দাবি, মেধার ওপর ভিত্তি করে ছাত্রছাত্রীদের যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল তাতে ভুল ছিল। তাছাড়া আগামিকাল থেকে কাউন্সেলিং শুরু হওয়ার কথা থাকলেও অনেক ছাত্রছাত্রীই তা জানেন না। তাদের দাবি বন্ধ রাখতে হবে কাউন্সেলিং। সেই সঙ্গেই বাড়াতে হবে আসন সংখ্যাও।








Post Your Comment

Total Comments:5

i like 24 ganta veri good news

i like 24 ganta veri good news

i like 24 ganta veri good news

i like 24 ganta veri good news

i like 24 ganta veri good news

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।