ইমামভাতা নিয়ে বেনিয়মের অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে

Update: December 5, 2012 23:05 IST

ইমামভাতা নিয়ে বেনিয়মের অভিযোগ উঠল হুগলির গোঘাটে। অভিযোগ, ব্যক্তিগত প্রভাব খাটিয়ে এক তৃণমূল নেতা তাঁর বাবার নাম ইমামভাতা প্রাপকদের তালিকায় ঢুকিয়ে দিয়েছেন। অথচ ভাতা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন প্রকৃত ইমাম। যদিও স্থানীয় বাসিন্দাদের এই অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছেন ওই তৃণমূল নেতার পরিবারের সদস্যরা।   

হুগলির আরামবাগ থানার গোঘাটের টাঁড়ুই গ্রাম। বাসিন্দাদের দাবি, বাঁকুড়ার কোতুলপুরের বাসিন্দা শেখ আলাউদ্দিন পাঠানকে ইমামের দায়িত্ব দিয়েছেন তাঁরাই। গত প্রায় আড়াই বছর ইমামের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ইমামভাতা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে শেখ আলাউদ্দিন পাঠানকে। স্থানীয় তৃণমূল নেতা শেখ মোহরচাঁদ আলি ব্যক্তিগত প্রভাব খাটিয়ে তাঁর বাবা নাজির আহমেদের নাম ইমামাভাতা প্রাপকদের তালিকায় ঢুকিয়ে দিয়েছেন বলেও অভিযোগ গ্রামবাসীদের। ভাতার টাকা পেয়েও গিয়েছেন নাজির আহমেদ।  
 
 তবে অভিযোগ মানতে নারাজ নাজির আহমেদের পরিবার। তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে ইমামের দায়িত্বে রয়েছেন নাজির আহমেদ। সেকারণে ভাতা তাঁরই প্রাপ্য। তৃণমূল নেতা শেখ মোহরচাঁদ আলির বাবা নাজির আহমেদের নামে ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এই অভিযোগও জানিয়েছেন বাসিন্দারা। পুরো ঘটনা জানিয়ে বিডিওর হস্তক্ষেপের আর্জি জানিয়েছেন তাঁরা । ইমামভাতা কার প্রাপ্য, এনিয়ে চাপান উতোরের জেরে টাঁড়ুই গ্রামে তৈরি হয়েছে জটিলতা। 


  

Post Your Comment

Total Comments:1

MAMATA BANERJEER JAMANAI SOBKICHUTAI ONIOM.SATATER PRATIKER SARKAR KINA.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।