দেশে ফিরলেন অভিমানী বিজয় কুমার

Update: August 8, 2012 17:30 IST

লন্ডন অলিম্পিকে রুপো জিতে দেশে ফিরলেন ভারতীয় শুটার বিজয় কুমার। বুধবার দিল্লি বিমানবন্দরে বিজয়কে উষ্ণ স্বাগত জানাতে হাজির ছিলেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর পদস্থ অফিসার থেকে তাঁর শুভানুধ্যায়ীরা।  জমকালো স্বাগতর মধ্যে ক্ষোভ ছিল বিজয়ের গলায়। একাগ্রতা এবং ধারাবাহিকতা রক্ষা করে গেছেন বলেই লন্ডন অলিম্পিকে এসেছে সাফল্য। দেশে ফিরে জানালেন অলিম্পিকে রূপোজয়ী শুটার বিজয় কুমার। অলিম্পিকের আগে তাঁকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি বলেও ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনি। 

গত ৩ আগস্ট লন্ডনে ২৫ মিটার পিস্তলে বিশ্বের সেরা শুটারদের পিছনে ফেলে রূপো ছিনিয়ে নেওয়ার পর  ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কর্মরত বিজয় কুমারকে নিয়ে উন্মাদনা শুরু হয় দেশজুড়ে। ঘোষণা হয় কোটি টাকার পুরস্কার। এরপরই গত ৫ তারিখ সেনাবাহিনী থেকে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন তিনি। এদিকে সেনাবাহিনীর তরফে ৩০ লক্ষ টাকা পুরস্কার এবং পদোন্নতির আশ্বাস দেওয়া হয়েছে তাঁকে।

লন্ডন অলিম্পিকে ভারতের হয়ে দ্বিতীয় পদকটি জেতেন বিজয় কুমার। ২৫ মিটার র‌্যাপিড পিস্তলে রুপো জেতেন তিনি। ভারতের বিজয় কুমার। ফাইনালে তিরিশ পয়েন্ট পেয়ে ভারতের দ্বিতীয় পদকটি এনে দেন ভারতের এই শুটার। শেষ বাছাই পর্বে অলিম্পিক রেকর্ড ভেঙে ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেন বিজয় কুমার। অলিম্পিক রেকর্ড ছিল ৫৮৩। বাছাই পর্বে বিজয় কুমারের পয়েন্ট ছিল ৫৮৫। তখন থেকেই প্রত্যাশা ছিল তুঙ্গে। ফাইনালে প্রথম ৩টি রাউন্ডে প্রতিপক্ষদের টেক্কা দিতে শুরু করেন বিজয় কুমার। মাঝে দুই-একবার ওঠা-নামা করলেও সপ্তম রাউন্ডে রুপো জয় নিশ্চিত করে ফেলেন তিনি।



Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।