র‌্যাপিড পিস্তলে রুপো বিজয় কুমারের

Update: August 3, 2012 20:05 IST

লন্ডন অলিম্পিকে দ্বিতীয় পদক ভারতের। আর এবারও পদক এল শুটিংয়েই। ২৫ মিটার র‌্যাপিড পিস্তলে রুপো জিতলেন ভারতের বিজয় কুমার। ফাইনালে তিরিশ পয়েন্ট পেয়ে ভারতের দ্বিতীয় পদকটি এনে দেন ভারতের এই শুটার।

বাছাই পর্ব থেকেই আত্মবিশ্বাসী ভারতের এই শুটার পদক জয়ের আশা জুগিয়েছিলেন। বিশেষ করে শেষ বাছাই পর্বে অলিম্পিক রেকর্ড ভেঙে ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেন বিজয় কুমার। অলিম্পিক রেকর্ড ছিল ৫৮৩। বাছাই পর্বে বিজয় কুমারের পয়েন্ট ছিল ৫৮৫। তখন থেকেই প্রত্যাশা ছিল তুঙ্গে। ফাইনালে প্রথম ৩টি রাউন্ডে প্রতিপক্ষদের টেক্কা দিতে শুরু করেন বিজয় কুমার। মাঝে দুই-একবার ওঠা-নামা করলেও সপ্তম রাউন্ডে রুপো জয় নিশ্চিত করে ফেলেন তিনি।

এখনও পর্যন্ত ভারতের ঘরে দুটি পদকই এল শুটিং থেকে। অন্যদিকে প্রথম অলিম্পিকে অংশগ্রহণ করেই তাক লাগিয়ে দিয়েছেন বাংলার জয়দীপ কর্মকার। ফাইনালে ৫০ মিটার রাইফেল প্রোনে ভগ্নাংশ পয়েন্টে হেরে চতুর্থ স্থান পান জয়দীপ।







Post Your Comment

Total Comments:1

Varat mata ki joy

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।