প্রেম বাঁচাতে মেয়েকে মাটিতে পুঁতে দিল মা

প্রেমিক না দেড় বছরের মেয়ে। দু`জনের মধ্যে প্রেমিককেই বেছে নিল পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলিয়াবেড়া গ্রামের লক্ষী। মাতৃত্বকে টেক্কা দিল প্রণয়ীনি সত্ত্বা। আর তাই দেড় বছরের শিশুকে নদীর পাড়ে পুঁতে দিয়ে খুনের চেষ্টা করতে একবারও হাত কাঁপল না তার। গ্রামবাসী এবং পুলিসের চেষ্টায় অবশ্য উদ্ধার করা গিয়েছে একরত্তি শিশুকে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি শিশুটি। লক্ষী এবং তার প্রেমিককে গ্রেফতার করেছে পুলিস। আজ তাদের ঝাড়গ্রাম আদালতে তোলা হবে।

Updated: Feb 18, 2013, 12:31 PM IST

প্রেমিক না দেড় বছরের মেয়ে। দু`জনের মধ্যে প্রেমিককেই বেছে নিল পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলিয়াবেড়া গ্রামের লক্ষী। মাতৃত্বকে টেক্কা দিল প্রণয়ীনি সত্ত্বা। আর তাই দেড় বছরের শিশুকে নদীর পাড়ে পুঁতে দিয়ে খুনের চেষ্টা করতে একবারও হাত কাঁপল না তার। গ্রামবাসী এবং পুলিসের চেষ্টায় অবশ্য উদ্ধার করা গিয়েছে একরত্তি শিশুকে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি শিশুটি। লক্ষী এবং তার প্রেমিককে গ্রেফতার করেছে পুলিস। আজ তাদের ঝাড়গ্রাম আদালতে তোলা হবে।
খনিতে কাজ করতে গিয়ে পূর্ব সিংভূমের নয়ামুন্ডির বরবিলের বাসিন্দা লক্ষ্মী মুন্ডার সঙ্গে পরিচয় হয় মুর্শিদাবাদের লালগোলার বাসিন্দা রফিকুল শেখের। কিছুদিনের মধ্যেই পরিচয় পরিণতি পায় প্রণয়ে। যদিও সে যে বিবাহিত, বা তার সন্তান রয়েছে, সে কথা রফিকুলের কাছে গোপনই রেখেছিল লক্ষ্মী। মাস খানেক আগে রফিকুলের সঙ্গে বেলিয়াবেড়ায় গ্রামে নিজের শিশুকন্যাকে নিয়ে পালিয়ে আসে সে। এরপর থেকে শিশুটিকে নিয়ে অশান্তি লেগেই ছিল দু`জনের মধ্যে। রবিবার ওই শিশুকন্যাকে নিয়ে নদীর পাড়ে যায় লক্ষ্মী। কিন্তু লক্ষ্মীকে একা ফিরে আসতে দেখে সন্দেহটা দানা বাঁধে গ্রামবাসীদের। তাঁরা গিয়ে দেখেন, নদীর চড়ে ছোট্ট মেয়েটিকে পুঁতে দিয়েছে লক্ষ্মী। খবর দেওয়া হয় পুলিসে। বেলিয়াবেড়া থানার ওসি জয়ন্ত চক্রবর্তী এবং ডিএসপি ডিএনটি বিবেক ভর্মার নেতৃত্বে অপারেশন চালিয়ে গ্রেফতার করা হয় লক্ষ্মী এবং রফিকুলকে।
 
শিশুটির বাঁ হাত ভেঙে গিয়েছে, মাথায় আঘাতের চিহ্নও রয়েছে। ঝাড়গ্রাম মহকুমা হাসপাতাল থেকে তাঁকে নিয়ে আসা হয় কলকাতার এনআরএস হাসপাতালে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে দেড় বছরের শিশুটি।