Ahmedabad Plane Crash: বিমান দুর্ঘটনায় মৃত ২৭৪। মৃতদের মধ্যে এখনও পর্যন্ত ৮৭ জনের দেহ শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। মৃতদেহগুলি এতটাই ঝলসে পুড়ে গিয়েছে যে তাদের সহজে শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। এরই মধ্যে নিখোঁজ এক পরিচালকও। তাঁর স্ত্রী হন্যে হয়ে খুঁজছে তাঁকে। পুলিসের কাছে গিয়ে দিয়ে এসেছেন তাঁর ডিএনএ জমা দিয়ে এসেছেন।

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ১২ জুন বৃহস্পতিবার ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার সাক্ষী থেকেছে ভারত। দুর্ঘটনায় বিমানের ২৪২ যাত্রীর মধ্যে ২৪১ জনই মৃত। সেই সঙ্গে মৃত্যু হয় হস্টেলেরও কিছুজনের। মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৭৪। এখনও পর্যন্ত ৮৭ জনের পরিচয় শনাক্ত করা গিয়েছে।
এরই মধ্যে একজন চলচ্চিত্র পরিচালকের পরিবার তাঁর ডিএনএ নমুনা জমা দিয়েছেন। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিচালক দুর্ঘটনার দিন ঘটনাস্থল থেকে মাত্র ৭০০ মিটার দূরেই ছিলেন। তাঁর ফোনের শেষ লোকেশনও সেখানেই ছিল।
নারোডা এলাকার বাসিন্দা মহেশ কালাওয়াদিয়া, যিনি মহেশ জিরাওয়ালা নামেও পরিচিত। মহেশ মিউজিক অ্যালবাম পরিচালনা করতেন। পরিচালকের স্ত্রী হেতাল জানান, দুর্ঘটনার দুপুরে তিনি ল'গার্ডেন এলাকায় এক ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। হেতাল বলেন, 'আমার স্বামী দুপুর ১টা ১৪ মিনিটে আমাকে ফোন করে বলেন, মিটিং শেষ হয়ে গিয়েছে। এবং তিনি এখন বাড়ি ফিরছেন। কিন্তু তিনি বাড়ি না ফেরায় আমি তাঁর ফোনে কল করি, তখন ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরে পুলিসকে জানানো হলে, ফোনের শেষ লোকেশন দেখায় যে তিনি বিমান দুর্ঘটনার স্থান থেকে মাত্র ৭০০ মিটার দূরে ছিলেন।'
পরিচালকের স্ত্রী আরও বলেন, 'ভয়াবহ দুর্ঘটনার পর অর্থাত্ ১টা ৪০ মিনিটে ওঁর ফোন বন্ধ হয়ে যায়। তাঁর স্কুটার ও মোবাইল ফোন—দুটোই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। সবকিছু খুব অস্বাভাবিক লাগছে, কারণ ও সাধারণত ওই রাস্তায় যেত না। আমরা ডিএনএ নমুনা জমা দিয়েছি, যাতে জানা যায় তিনি দুর্ঘটনায় মৃতদের মধ্যে একজন কি না।'
উল্লেখ্য, দুর্ঘটনায় বহু দেহ এতটাই পুড়ে গিয়েছে বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যে তাদের চেনা যাচ্ছে না। তাই কর্তৃপক্ষ ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে দেহগুলির পরিচয় শনাক্ত করার কাজ করছে।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)