)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: বলিউডের বিকিনি গার্ল বললেই যে নামটা সবার আগে মাথায় আসে, তিনি হলেন শর্মিলা ঠাকুর (Sharmila Tagore)। ষাটের দশকের বলিউডে তখন খোলামেলা পোশাক ছিল সাহসী পদক্ষেপ। সেখানে একেবারে বিকিনি পরে পর্দায় হাজির হয়েছিলেন অভিনেত্রী। খুব কম অভিনেত্রীই সে সময়ে এমন চ্যালেঞ্জ নিতে পারতেন। ‘অ্যান ইভিনিং ইন প্যারিস’ (An Evening in Paris) ছবিতে বিকিনি পরা এক দৃশ্যে হাজির হয়ে দর্শক থেকে সমালোচক মহলে আলোড়ন ফেলে দিয়েছিলেন অভিনেত্রী। তবে পরিবারের কাছে কাজটা অতটাও সহজ ছিল না। শাশুড়ির থেকে নিজেকে লুকাতে ছবির পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেছিলেন শর্মিলা।
এক সাক্ষাৎকারে জীবনের নানা অজানা কাহিনি শেয়ার করতে দেখা যায় অভিনেত্রীকে। একসময় বিকিনি পড়ে শুট করার জন্য কত কী-ই না করতে হয়েছে তাঁকে, এই বলে হেসে ফেলেন শর্মিলা।‘অ্যান ইভিনিং ইন প্যারিস’ ছবির জন্য তাঁকে পরিচালকের কথামতো বিকিনি পরতে হয়। তবে পরিচালক তাঁকে জোর করেননি। নিজের ইচ্ছাতেই তিনি এটি করেন। শর্মিলার কথায়, ‘এটাই তখন কত বড় ব্যাপার ছিল। ভাবিনি এক টুকরো কাপড়ের জন্য কত বিতর্কে জড়াতে হবে।’
অভিনেত্রীর সাফ জবাব, ‘আমি যা করেছি দর্শকের জন্য। আমার পরিচালক আমায় বুঝিয়েছিলেন যে দর্শকের জন্যই আজ আমি এখানে, তাই তাঁরা যেভাবে আমায় চান, আমায় সেভাবেই চলতে হবে। আমি নিজেকে মেলে ধরতে চেয়েছিলাম। বলা ভালো— দর্শকের কাছে আরো আকর্ষণীয়, আরো গ্রহণযোগ্য হতে চেয়েছিলাম। আর আমার মনে হয় পেরেওছিলাম হতে। ভালোই লাগছিল আমায়।’
তবে সেই সময় বিয়ে হয়নি শর্মিলার। তখন মনসুর আলি খান পতৌদির সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন তিনি। তবে হবু শাশুড়িমা তাঁর এই শুট নিয়ে কী বলবেন তা নিয়ে বেশ ভয় পেয়েছিলেন তিনি। তাই রাতারাতি শ্বশুরবাড়ির কাছের সব পোস্টার ড্রাইভারকে পাঠিয়ে ছিঁড়ে ফেলেন তিনি। সেই সময় দেশে ছিলেন না প্রেমিক মনসুর আলি খান পতৌদি। তবে টেলিগ্রামের মাধ্যমে তিনি জানিয়েছিলেন যে তিনি শর্মিলার পাশে আছেন। সবশেষে শর্মিলা হাসতে-হাসতে বলেন, ‘যদিও এসব নিয়ে কোনো ঝামেলাই হয়নি। আম্মা (শাশুড়ি) কিছুই বলেননি।’
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)