)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: গোটা বিশ্বে ক্যানসারের কারণে মৃত্য়ুর হার সবচেয়ে বেশি। তার মধ্য়ে সংখ্য়ার নিরিখে প্রথমেই ব্রেস্ট ক্যানসার,ওরাল ক্যানসার এবং ফুসফুস ক্যানসার। তবে সাম্প্রতিক রিপোর্টে জানা গেছে, পাকস্থলী ক্যানসারে ভুগতে পারে ২০০৮-২০১৭ সালের মধ্য়ে জন্মগ্রহণকারীরা। ১৮৫টি দেশে,গ্য়াসট্রিক ক্যানসারের উপর গবেষণা করা হয়। 'নেচার মেডিসিন' পত্রিকায় এই গবেষণার রিপোর্ট প্রকাশিতও হয়। আর এর প্রধান কারণ হল হেলিটোব্যাকটার পাইরোলি ব্যাকটারিয়া। পাকস্থলীর ক্যানসার সাধারণত প্রাপ্তবয়স্কদের রোগ বলে মনে করা হত। রিপোর্ট অনুযায়ী তরুণদের মধ্য়েও এই রোগ দেখা দিতে পারে। অতএব বয়স্কদর মধ্য়ে এই রোগের সংখ্যা আরও বাড়বে।
গবেষকদের মতে, ৭৬ শতাংশ মানুষ পাকস্থলীর ব্যাকটারিয়া, হেলিটোব্যাকটার পাইরোলিতে সংক্রমণ হতে পারেন। এই ব্যাকটারিয়া সাধারণত শৈশবে সংক্রমিত হয়। এইচ. পাইরোলি প্রায়শই কোনও লক্ষণ প্রকাশ করে না। তবে ওষুধের দ্বারা এটি নিরাময়যোগ্য। দীর্ঘমেয়াদী সংক্রামণ আলসারের কারণ হতে পারে এবং পরবর্তী কালে তা ক্যানসারে পরিণত হতে পারে। ২০০৮-২০১৭ সালের মধ্য়ে জন্মগ্রহণকারী ১কোটি ৫৬ লক্ষেরও বেশি মানুষ পাকস্থলীর ক্যানসারে আক্রান্ত হতে পারেন। আর এই আক্রান্তের সংখ্যা এশিয় মহাদেশে বেশি থাকবে। ভারতের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে উপরে। তবে নিয়ন্ত্রণ ব্য়াবস্থা উন্নত না করলে আক্রান্তের সংখ্যা ১৬ লক্ষ্য়ে গিয়ে ঠেকতে পারে।
গবেষকরা জানিয়েছেন, এইচ. পাইরোলির স্ক্রিনিং করানো প্রয়োজন। এই রোগ ধরা পড়লে তার চিকিত্সা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ইতিমধ্যে জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়ায় স্ক্রিনিং চালু হয়েছে এবং পাকস্থলী ক্যানসারের হার কমাতে সফলও হয়েছে।