)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: রাজ্য়ে পালাবদলের পর নিরাপত্তায় কোপ। তৃণমূলকর্মীরাই ভরসা। দুটি প্রাইভেট গাড়ি এসকর্ট করে নিয়ে গেল অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়কে।
তৃণমূল জমানা শেষ। রাজ্যে এখন গেরুয়ারাজ। অভিষেকের জন্য বরাদ্দ 'জেড প্লাস' (Z+) ক্যাটাগরির নিরাপত্তা এবং বিশেষ পাইলট কারের প্রত্যাহার করে নিয়েছে নতুন সরকার। বস্তুত, বিজেপির জয়ের পরেরদিনই তৃণমূল সাংসদের বাড়ি ও অফিস থেকে সরিয়ে নেওয়া হয় লকাতা পুলিসের স্ক্যানার ও মেটাল ডিটেক্টর। বাড়ির বাইরের স্থায়ী পুলিশ পোস্টও উধাও।
আজ, শনিবার কালীঘাটে বাড়িতে দলের লিগাল সেলের নেতার সঙ্গে বৈঠক করেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকে ছিলেন অভিষেকও। বৈঠক শেষে যখন বাইরে বেরোন, তখন তাঁর গাড়ির সামনে এসে দাঁড়ায় একটি কালো গাড়ি। নম্বর প্লেট সাদা অর্থাত্ গাড়িটি প্রাইভেট। এরপর নিজের গাড়িতে ওঠে রওনা দেন অভিষেক। তখন দেখা যায়, অভিষেক গাড়ির পিছনে যাচ্ছে আরও একটি সাদা গাড়ি। সেই গাড়িটি নম্বর প্লেট সাদা।
অভিষেকে গাড়ির সামনে ও পিছনে দুটি গাড়িতে যেমন পুলিশ বা অন্যান্য নিরাপত্তাকর্মীদের যেমন দেখা যায়নি, তেমনি ছিল না কোনও লোগোও। পুলিশি নিরাপত্তা তুলে নেওয়ার পর তাহলে কি এখন দলীয় কর্মীদের উপরেই ভরসা রাখছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়? শুরু হয়েছে জোর গুঞ্জন।
বাংলায় এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় ছিল তৃণমূল। তখন অভিষেকে যাতায়াতের পথে কয়েক ডজন পুলিশ কর্মী ও কমান্ডো মোতায়েন থাকত। তাঁর কনভয় যাওয়ার সময় সাধারণ মানুষের রাস্তা ব্লক করে দেওয়া ছিল নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। কিন্তু নতুন সরকারের আমলে নির্দেশিকা জারি করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এখন থেকে একজন সাধারণ সাংসদ হিসেবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের গাইডলাইন অনুযায়ী যেটুকু নিরাপত্তা পাওয়ার যোগ্য, সেটুকুই পাবেন। রাজ্য পুলিশের স্পেশাল সিকিউরিটি ইউনিট (SSU)-র একটি বড় অংশই তাঁর নিরাপত্তা থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হচ্ছে।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)