বাগানের যুক্তিতে মন উঠল না সিবিআই গোয়েন্দাদের

সারদা-তদন্তে মোহনবাগান কর্তাদের জেরা করে সন্তুষ্ট হতে পারলেন না ইডি গোয়েন্দারা। আজ জেরায় মোহন কর্তারা জানিয়েছেন, সারদাগোষ্ঠীর সঙ্গে তাঁদের দু -কোটি টাকার স্পনসরশিপ চুক্তি হয়েছিল। তবে বাস্তবে দুপক্ষের মধ্যে এর চেয়ে অনেক বেশি টাকার লেনদেন হয়েছে বলে সন্দেহ ইডির।  এ কারণেই আরও বেশকিছু নথি জমা দিতে বলা হয়েছে সবুজ-মেরুণ কর্তাদের।

Updated By: Sep 17, 2014, 11:24 PM IST
বাগানের যুক্তিতে মন উঠল না সিবিআই গোয়েন্দাদের

কলকাতা: সারদা-তদন্তে মোহনবাগান কর্তাদের জেরা করে সন্তুষ্ট হতে পারলেন না ইডি গোয়েন্দারা। আজ জেরায় মোহন কর্তারা জানিয়েছেন, সারদাগোষ্ঠীর সঙ্গে তাঁদের দু -কোটি টাকার স্পনসরশিপ চুক্তি হয়েছিল। তবে বাস্তবে দুপক্ষের মধ্যে এর চেয়ে অনেক বেশি টাকার লেনদেন হয়েছে বলে সন্দেহ ইডির।  এ কারণেই আরও বেশকিছু নথি জমা দিতে বলা হয়েছে সবুজ-মেরুণ কর্তাদের।

ইস্টবেঙ্গল, কালীঘাট ক্লাবের পর এবার পালা মোহনবাগানের। বুধবার সিজিও কমপ্লেক্সে জেরা করা হয় মোহন কর্তাদের। সারদাগোষ্ঠীর সঙ্গে স্পনসরশিপ চুক্তির নথিপত্র নিয়ে ইডি দফতরে যান দেবাশিস দত্ত সহ ক্লাবের চার শীর্ষ কর্তা।

ইজি সূত্রে খবর, মোহনবাগান কর্তাদের জমা দেওয়া নথিপত্রে সন্তুষ্ট নন গোয়েন্দারা। তাঁদের সন্দেহ, খাতায়-কলমে যা দেখানো হয়েছে, তার বাইরেও টাকা নেওয়া হয়ে থাকতে পারে। মোহনবাগান কর্তাদের আরও বেশ কিছু নথি জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে ইডি।  

অন্যদিকে, সারদা-তদন্তে বুধবার তারার প্রাক্তন মালিক রতিকান্ত বসুকে জেরা করেছে সিবিআই। তারা সহ চারটি চ্যানেল সারদাকে হস্তান্তরের বিষয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সারদা কর্তার সঙ্গে আঠারো কোটি টাকার মউ স্বাক্ষর হয়েছিল  তারা গ্রুপের প্রাক্তন চেয়ারম্যান রতিকান্ত বসুর। এর আগে ইডি গোয়েন্দাদের কাছে তিনি দাবি করেছিলেন,ওই টাকা সুদীপ্ত সেন তাঁকে দেননি। এদিন সিবিআইয়ের সামনেও একই দাবি করেছেন রতিকান্ত বসু।  

তারার চ্যানেলগুলি সারদাকে হস্তান্তরের আগেই রতিকান্ত বসু সহ অধিকাংশ শেয়ার হোল্ডার তাঁদের শেয়ার বিক্রি করে দেন শিবা ভেঞ্চারসের কাছে। যার মালিক সি শিবশঙ্করণ আফ্রিকার সেসেলেসের ব্যবসায়ী। তাঁর সঙ্গেই সারদার বেশকিছু রহস্যজনক আর্থিক লেনদেনের সূত্র হাতে এসেছে গোয়েন্দাদের। শিবশঙ্করণের মাধ্যমে সারদার বড় অঙ্কের টাকা বিদেশে পাচার করিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে সন্দেহ সিবিআইয়ের।