পুরসভার স্বাস্থ্য ও খাদ্য সুরক্ষা, ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের উদ্যোগে প্রচার অভিযান

Updated By: Nov 27, 2015, 10:13 AM IST
পুরসভার স্বাস্থ্য ও খাদ্য সুরক্ষা, ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের উদ্যোগে প্রচার অভিযান

ওয়েব ডেস্ক: জামা বানাতে গিয়ে কাপড় ছিঁড়ে ফেলেছিলেন দর্জি। ক্ষতিপূরণ পেলেন সাড়ে চার হাজার টাকা। ফেরত পাওয়া যায় এটিএম থেকে বেহাত হয়ে যাওয়া টাকা। বিমান বন্দর কর্মীদের হেনস্থায় প্লেন

মিস করে পরের বিমানের জন্য কাটা টিকিটের দামও পুরো উশুল করা যায়। কী সেই জাদুদণ্ড? যার ছোঁয়ায় এযুগেও এটা সম্ভব?
এই মুশকিল আসানের নাম ক্রেতা সুরক্ষা বা উপভোক্তা দফতর। যেখানে রশিদ, ক্যাশমেমো সহ প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র দিয়ে প্রতারণার অভিযোগ দাখিল করলে বিচারের পরে টাকা পেতে পারেন

যেকোনও উপভোক্তা। এমনকী রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডারে গ্যাস কম থাকলে ক্রেতা সুরক্ষা রয়েছে আপনার পাশে।
সাধারণ মানুষ যাতে মালপত্র কিনে না ঠকে, তা সুনিশ্চিত করতে ১৯৮৬ সালে চালু হয় উপভোক্তা সুরক্ষা আইন(কনজিউমার প্রোটেকশান অ্যাক্ট)। তার ভিত্তিতে তৈরি হয় ক্রেতা সুরক্ষা দফতর
ক্রেতাদের অভিযোগের নিষ্পত্তি করা হয় দুরকম ভাবে।১, মধ্যস্থতা ও ২.ক্রেতা সুরক্ষা আদালত।
১.মধ্যস্থতায় কাজ না হলে আবেদনকারীকে ক্রেতা সুরক্ষা আদালতের শরণাপন্ন হতে হয়। ২.জেলা আদালতের রায়ে সন্তুষ্ট না হলে রাজ্য ক্রেতা-সুরক্ষা আদালতে যাওয়া যায়।
সেখানে সুবিচার না পেলে রয়েছে নয়াদল্লির জাতীয় ক্রেতা আদালত
কিন্তু অভিযুক্ত বিক্রেতা যদি আদালতের নির্দেশ না মানেন? সেক্ষেত্রে ফৌজদারি আদালতের দ্বারস্থ হওয়া যেতে পারে।
তবে ক্ষতিপূরণের অঙ্ক খুব বেশি না হলে অভিযুক্ত বিক্রেতা মধ্যস্থতাই মেনে নেন বলে যানাচ্ছেন দফতরের আধিকারিকরা।
তাই প্রতারিত হলে বাড়িতে বসে মাথা না চাপড়ে, হাত বাড়ালেই যে বন্ধু আপনার জন্য অপেক্ষা করছে, তার শরণাপন্ন হন। সুদে আসলে মিলবে ক্ষতিপূরণের টাকা।
বাজারের সব্জি, কিম্বা সরষের তেলে রেপসিড, অথবা মিষ্টিতে রঙ। যদি বোঝেন খাবারে ভেজাল রয়েছে, ব্যবস্থা আপনি নিজেই নিতে পারেন। আপনাকে সাহায্যের জন্য অপেক্ষায় রাজ্যের ক্রেতা

সুরক্ষা দফতর ও কলকাতা পুরসভা। সঙ্গে সঙ্গেই ফোন করুন ১৮০০ ৩৪৫ ২৮০৮ অথবা ২২৫২ ৮৯৪৬০১২৯ নম্বরে। অভিযোগ জানাতে পারেন ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের ওয়েবসাইটেও।  

কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য ও খাদ্য সুরক্ষা, ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের উদ্যোগে শুরু হয়েছে প্রচার অভিযান।
ভেজালের হাত থেকে বাঁচতে ক্রেতাকেও নিতে হবে কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা। নজর দিতে হবে, খোলা খাবার যতটা সম্ভব না খাওয়াই ভাল।
প্যাকেট খাবার কেনার সময় ম্যানুফ্যাকচারিং তারিখ ভাল করে দেখে নিতে হবে। এরপরেও যদি কেউ ভেজাল খাবার খেয়ে সমস্যায় পড়েন, নির্দ্বিধায় যোগাযোগ করতে পারেন কলকাতা পুরসভা এবং রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের ফোন নম্বরে। কারণ ভেজাল খাবার প্রমানিত হলে ক্রেতা সুরক্ষা আইনে বিক্রেতার কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা আছে।