)
রণয় তিওয়ারি: কলকাতা আইসারের (IISER Kolkata) গবেষকের আত্মঘাতী হওয়ার ঘটনায় বড় আপডেট। মাত্রাতিরিক্ত ওষুধ খেয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন পিএইচডি তৃতীয় বর্ষের মেধাবী পড়ুয়া (PhD third year student) অনামিত্র রায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা সুইসাইড নোটে অনামিত্র রায় সহপাঠী সৌরভ বিশ্বাসের র্যাগিং-এর অভিযোগ করেছেন। অভিযোগ করেছেন, তিনি কলেজ কর্তৃপক্ষকে জানানোর পরেও কেউ কোনও গা করেননি, পদক্ষেপ নেননি। এবার সেই অভিযোগ স্বীকার করে নিলেন সুপারভাইজার 'অনিন্দিতা ম্যাডাম'।
অনামিত্র রায়ের আত্মঘাতী হওয়ার ঘটনায় পড়ুয়ারা ঘেরাও করে কর্তৃপক্ষকে। অভিযোগ করে, কলেজ কর্তৃপক্ষও এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত। তারা তাই ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে। ওদিকে ঘেরাও থাকার পর, সুপারভাইজার অনিন্দিতা ভদ্র স্বীকার করে নেন যে, আত্মঘাতী পিএইচডি পড়ুয়া অনেকবারই অ্যান্টি-র্যাগিং কমিটিতে অভিযোগ করেছিল! কিন্তু তারপর কেন কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হল না? উঠছে প্রশ্ন। পড়ুয়াদের আরও বিস্ফোরক অভিযোগ, নির্যাতিতের সুপারভাইজার আসলে ডিনের স্ত্রী।
প্রসঙ্গত, অনামিত্র রায় তাঁর সুইসাইড নোটে লিখেছিলেন, "এখন কেন? আমার অনেক সহকর্মীর সঙ্গে আমিও ল্যাবে পিএইচডি ছাত্র সৌরভ বিশ্বাস নির্যাতনের বারবার শিকার হয়েছি। আমাদের সুপারভাইজার অনিন্দিতা ভদ্রের কাছে বারবার অভিযোগ করার পরও কেউ কানে তোলেননি। ১২ এপ্রিল, ২০২৫ তারিখে, ল্যাবে সৌরভ দীর্ঘ সময় ধরে আমার উপর চিৎকার করে। আমি তারপর ইমেইল ও অফিসিয়াল পোর্টালের মাধ্যমে আইআইএসইআর কলকাতা অ্যান্টি-র্যাগিং সেলের কাছে অভিযোগ দায়ের করি। কিন্তু তারা তারপরেও আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেনি।"
অনামিত্র লিখেছেন, "আমার সুপারভাইজারও আমার আচরণেই কেবল ত্রুটি খুঁজে পেয়েছিলেন... আমি সৌরভ বিশ্বাসের কাছ থেকে কেবল ক্ষমা চেয়েছিলাম। কিন্তু সেটাও আমাকে প্রত্যাখ্যান করা হয়। সৌরভ বিশ্বাসের থিসিসের বেশিরভাগ অংশই অসৎ উপায়ে করা। সেটাও আমার সুপারভাইজার উপেক্ষা করেছেন।" যাতে তাঁর নির্যাতনকারী সৌরভ বিশ্বাস কোনওভাবেই পিএইচডি ডিগ্রি না পায় ও তাঁকে র্যাগিং-বিরোধী আইনের আওতায় এনে বিচার হয় তার দাবিও করেছেন অনামিত্র রায়।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)
আপনি কি অবসাদগ্রস্ত? বিষণ্ণ? চরম কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন না। আপনার হাত ধরতে তৈরি অনেকেই। কথা বলুন প্লিজ...
iCALL (সোম-শনি, ১০টা থেকে ৮টা) ৯১৫২৯৮৭৮২১
কলকাতা পুলিস হেল্পলাইন (সকাল ১০টা-রাত ১০টা, ৩৬৫ দিন) ৯০৮৮০৩০৩০৩, ০৩৩-৪০৪৪৭৪৩৭