)
নান্টু হাজরা: সোশ্যাল মিডিয়ায় অশ্লীল ছবি পোস্ট করা অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করল বিধান নগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিস। ধৃতের নাম পিন্টু দাস। উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গা এলাকা থেকে গ্রেফতার করে বিধান নগর সাইবার ক্রাইম থানা পুলিস।
পুলিস সূত্রের খবর, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে সল্টলেকের বাসিন্দা এক মহিলা বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের করেন যে, তার অশ্লীল ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা হয়েছে। এই ছবি পোস্ট করেছে পিন্টু দাস। পিন্টু দাস তাঁর স্বামী। তাঁর সাথে বিবাহবিচ্ছেদে মামলা চলছে। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর তিনেক আগে পূর্ব পরিচিত বান্ধবীকে বিয়ে করে পিন্টু দাস। বিয়ের পর বেশ কিছু অশ্লীল ছবি নিজের মোবাইলে তুলে রাখে পিন্টু। কিছুদিন ধরে স্ত্রীর সাথে পিন্টুর ঝামেলা চলছে। স্ত্রীকে মারধর করার অভিযোগও পিন্টুর বিরুদ্ধে। কয়েকদিন আগে স্ত্রীর অশ্লীল ছবিগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে অভিযুক্ত। ফেসবুকে অশ্লীল ছবি দেখে গত সেপ্টেম্বর মাসে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার দ্বারস্থ হন সল্টলেকের বাসিন্দা ওই মহিলা। পিন্টু দাসের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন তার স্ত্রী। বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিস তদন্ত নেমে দেগঙ্গা থেকে পিন্টু দাসকে গ্রেফতার করে। আজ ধৃতকে বিধান নগর মহকুমা আদালতে তোলা হবে।
অন্য একটি ঘটনায়, মঙ্গলবার কলকাতার সন্তোষপুর থেকে উদ্ধার করা হয় বেঙ্গালুরু থেকে কলকাতায় আসা তথ্যপ্রযুক্তিকর্মী মৈনাক দাসকে। গত ১ নভেম্বর বিধাননগর পুলি কমিশনারেটের নারায়ণপুর থানায় মৈনাকের বান্ধবী সুপর্ণা দত্ত চৌধুরী অভিযোগ করেছিলেন, এটিএম থেকে টাকা তুলতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন তাঁর বন্ধু মৈনাক।
সুপর্ণা পুলিসর বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগও তোলেন। কারণ, ইকো পার্ক, বাগুইআটি থানা ঘুরে গভীর রাতে নারায়ণপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করতে পেরেছিলেন তিনি।
তদন্ত শুরু করে পুলিস জানতে পারে, কলকাতার সার্ভে পার্ক এলাকার মৈনাক এবং আসানসোল–দুর্গাপুরের সুপর্ণা দু’জনই বেঙ্গালুরুতে তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় চাকরি করেন। তাঁরা সাত বছর ধরে লিভ–ইন সম্পর্কে রয়েছেন।
কিন্তু মৈনাকের অভিযোগ ছিল, সুপর্ণা সব দিক থেকে তাঁকে নির্যাতন করেন। তাঁর এটিম কার্ড থেকে শুরু করে যাবতীয় ব্যাঙ্কিং অ্যাকসেসও বান্ধবীর হাতে। ধূমপান করতেও বান্ধবীর অনুমতি নিতে হয়। লাগাতার এমন মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েই গত শনিবার নিউ টাউনের গেস্ট হাউস থেকে পরিকল্পনা তৈরি করে বাইরে বেরোন মৈনাক। বলে যান, এটিএম থেকে টাকা তুলতে যাচ্ছেন।
এর পরেই স্বেচ্ছায় ‘নিখোঁজ’ হন। মঙ্গলবার পুলিস তাঁর সন্ধান পেলে তিনি মুচলেকা দিয়ে এই তথ্য জানান নারায়ণপুর থানায়।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)