জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্য়ুরো: অবশেষে সংসারী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। পরিচিত রিঙ্কু মজুমদারের সঙ্গে নিউটাউনের (Newtown) বাড়িতে হিন্দু শাস্ত্র মতে বিয়ে। বিয়ের পিঁড়িতে বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই শুরু হয়েছিল কানাঘুষো। সন্ধে গড়াতেই সামনে এল পাকা খবর। গতকাল থেকে চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল দিলীপ ঘোষ। অবশেষে সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন তিনি।
Add Zee News as a Preferred Source
আরও পড়ুন: ফোনেও নেমন্তন্ন মেলেনি! মন খারাপ, তবু দাদাকে শুভেচ্ছা দিলীপের ভাই ও পরিবারের...
নিউ টাউনের বাড়িতেই বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হবেন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি তথা প্রাক্তন সাংসদ এবং প্রাক্তন বিধায়ক দিলীপ। আড়ম্বর পছন্দ নয় দিলীপের তাই ঘরোয়া অনুষ্ঠানেই চারহাত এক হবে। আমন্ত্রিতের সংখ্যাও হাতে গোনা। কাছের মানুষদের উপস্থিতিতেই হবে রেজিস্ট্রি, এমনটাই খবর। পাত্রীর নাম রিঙ্কু মজুমদার। তিনি বিবাহবিচ্ছিন্না। তাঁর একটি ছেলেও রয়েছে, যাঁর বয়স ২৫ বছর, সেক্টর ফাইভে তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে কর্মরত। কিন্তু কে এই রিঙ্কু? কী ভাবে দু'জনের মন দেওয়া-নেওয়ার পর্বের শুরুটা? ঠিক কবে? কী ভাবে আলাপ দু'জনের? বিয়ের প্রস্তাবই বা কে কাকে দিলেন? হঠাৎ বিয়ের সিদ্ধান্ত কেন নিলেন দিলীপ ঘোষ? সংবাদমাধ্যমকে অকপটে জানালেন দিলীপ ঘোষ ও রিঙ্কু মজুমদার।
দিলীপ ঘোষ বলেন, 'সবই দায়িত্ব পালন হয়ে গেছে। জীবনে বিয়েটাই বাকি ছিল। এটার জন্য যেন পরেরবার যেন পৃথিবীতে আসতে না হয়। বাকি সব হয়ে গেছে। শুধু এটাই বাকি ছিল। ভাবলাম এটাও হয়ে যাক। এবার মায়ের দায়িত্ব পালন করা হয়নি। এবার মায়ের দায়িত্ব পালন করব। ৬ বছর বয়স থেকে বাড়িছাড়া। মায়ের সেবা করব। মা আমার কাছে থাকতে এসেছেন। আমি বেরিয়ে গেলে ওনাকে জল দেওয়ার লোকও নেই। এবার সেই দায়িত্বটা পালন করার দরকার ছিল। রাজনীতি যেমন করছি করব। দল যে কাজ দেবে সেটা করব। এখন মা আছে, আমি আর তৃতীয় একজন এলেন। বাকি আমার ভাই ও তাঁদের ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার দায়িত্ব যেটা পালন করার সেটা করেছি। মাকেও দেখার দরকার ছিল। তাই আমাকে এটা করতে হল।'
আরও পড়ুন: 'গোধূলি লগ্নেই আমাদের বিয়ে... আমার জীবনের সব গান শুধু ওঁর জন্যই...'
এদিকে দিলীপ ঘোষকে স্বামী হিসেবে পেয়ে আনন্দে আপ্লুত রিঙ্কু মজুমদারও। তিনি বলেন, 'এটা আমার কাছে সোনার সুযোগ। একুশের ভোটের আগে ইকো পার্কে তখন কথাবার্তা হতো। এমপি ইলেকশনে ওনার সঙ্গে একটু কথাবার্তা হয়েছে। যখন উনি হেরে গেলেন তখন আমি একটু ঘনঘন যেতাম পার্কে। ভাবলাম এখন ওনার কাছে ভিড় কমে যাবে।'
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)