)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্য়ুরো: আসল তৃণমূল কারা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের প্রায় ৬০ জন বিধায়ক ভাঙিয়ে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন উলুবেরিয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্য়োপাধ্যায়। তবে তিনি বলছেন, মমতা হবেন তাদের পরামর্শদাতা। পাশাপাশি তৃণমূলেরই কোনও কোনও নেতা ইঙ্গিত করছেন, আরও অনেক বড় নেতা রয়েছেন লাইনে। তার জেরে তৃণমূলের সাংসদ ব্রিগেডেও ভাঙন ধরতে পারে। দলের এই মহা সংকটের দিনে বড় কথা বলে দিলেন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ।
গত কয়েকদিন ধরে বাংলার রাজনীতিতে যে ওঠাপড়া চলছিল তাতে কোনও কিছুই অসম্ভব নয় বলেই মনে হচ্ছিল। শুরুটা হয়েছিল তৃণমূলে ভাঙনটা দিয়ে। তার পর দেখা গেল নবান্নে শুভেন্দু অধিকারীর বৈঠকে হাজির হলেন কুণাল, ফিরহাদরা। ফলে অন্য একটা জল্পনা একটি তৈরি হয়েছিল। কিন্তু তিনি যে মমতা বিরোধী 'বিশ্বাসঘাতকদের' দলে নেই তা স্পষ্ট করে দিলেন তৃণমূলের বেলেঘাটার বিধায়ক।
সোশ্যাল মিডিয়ায় করা এক পোস্টে আজ কুণাল ঘোষ লিখলেন, আমি তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক। মমতাদির প্রতীকের বিধায়ক। ভোটের একমাসের মধ্যে যারা 'রহস্যজনক ব্যক্তিগত' স্বার্থে প্রতিপক্ষের পৃষ্ঠপোষকতায় মমতাদির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে, আমি তা সমর্থন করি না। আমি মমতাদির সঙ্গেই আছি।
কুণাল আরও লিখেছেন, 'তবে দলের ভুলত্রুটি সংশোধনের বদলে বিভিন্ন স্তরে যদি ভুল চলতে থাকে, সেটা দেখেও চোখ বুজে থাকতে পারব না। এখনও যে বিপুল কর্মীরা বিভিন্ন জেলা থেকে যোগাযোগ করছেন, ছাত্র-যুবরা যোগাযোগ করছে, অনেক কিছু বলছে,সেগুলি শুনছি,শুনব। তাদের সঙ্গে বসতে অনুরোধ করেছেন,বসব। তার পরেরটা পরে দেখা যাবে। মমতাদির সঙ্গে আছি। কিন্তু বারবার একই ভুলের সঙ্গে নেই। বিশ্বাসঘাতকতাতেও নেই। কান, চোখ, মস্তিষ্ক, হৃদয় ও মুখের পূর্ণ ব্যবহার চলবে। ঘরে বাইরে। জয় বাংলা।'
ভাঙতে পারে তৃণমূলের সাংসদীর দলও। কারা কোথায় ছিপ ফেলে রয়েছে তা এখনই বোঝা যাচ্ছে না। সম্প্রতি তৃণমূলের এক বিধায়ক ইঙ্গিত দিয়েছেন, সোমবার আরও কয়েকজন উল্টো পথে হাঁটবেন। এরকম এক পরিস্থিতিতে গুটিকয় নেতা নেত্রী নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী ভাবে ঘর গোছাবেন সেটাই এখন দেখার।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)