)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ফের খবরে কুণাল ঘোষ। এবার কি খানিক অভিমানী? বললেন, 'দল মনে করলে নির্বাচনে কাজে লাগাবে। দল কাজে লাগালে ভাল, না হলে বাড়িতে বসে থাকব'। সঙ্গে সতর্কবার্তা, 'দল আত্মতুষ্টিতে যেন না ভোগে। সিপিএমের পতন দেখেছি, তৃণমূল যেন সেই জায়গায় না পৌঁছয়'।
বছর ঘুরলেই রাজ্যে বিধানসভা ভোট। গত কয়েক দিন ধরেই একে এক ফেসবুক পোস্টে জল্পনা বাড়াচ্ছেন কুণাল। আজ, শনিবার মুখ্যমন্ত্রীর বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছাবার্তার ছবি পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, 'জীবনের কঠিনতম দিন দেখেছি আমি। অভিমান ছিল, কিন্তু দল ছাড়ার কথা ভাবিনি, ছাড়িনি। তারও পরে, আবার কাছাকাছি কাজের সুযোগ। দিনকাল বদলেছে, পুরনো স্মৃতিতে নতুনের সংযোজন। আনুগত্যের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে চাওয়া সৈনিক তার কর্তব্যে অবিচল, এখনও। ঈশান কোণে জমতে থাকা মেঘের টুকরো যেন লড়াইয়ের জেদ বাড়ায়'।
তাহলে কি ছাব্বিশে নির্বাচনে কি পুরোপুরি পাওয়া যাবে, নাকি গুটিয়ে নেওয়ার ইঙ্গিত? জি ২৪ ঘণ্টাকে কুণাল বলেন, 'দলের ব্য়াপার। আমি আদৌ কাজের লোক কিনা, আমাকে কাজে লাগানো যায় কিনা। আমাকে অমুক লিস্টে রাখা হবে কিনা, আমাকের প্রচারে পাঠানো হবে কিনা, এগুলি কোনটাই আমার হাতে নয়'। তাঁর সাফ কথা, 'দল কাজ লাগালে, লাগাবে। না লাগালে, না লাগাবে'।
এর আগে, গতকাল শুক্রবার ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছিলেন কুণাল। সেই পোস্ট নিয়েও জল্পনা ছড়িয়েছিল। তিনি লিখেছিলেন, 'এই পোস্টটি বিশেষভাবে তৃণমূল কংগ্রেসের আইটি সেলের সদস্য, বিভিন্ন গ্রুপ বা ব্যক্তিদের জন্য যাঁরা নিঃস্বার্থভাবে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় লড়াই করে যান। বেশ কয়েকজন ইউ টিউবারও তাঁদের চ্যানেল নিয়ে লড়ছেন। অনেক প্রতিষ্ঠিত নেতারাও যখন ইস্যুভিত্তিতে নীরব থাকেন, এই সৈনিকরা দল, জননেত্রী ও রাজ্য সরকারের পক্ষে সক্রিয় থাকেন। এক সহযোদ্ধার পক্ষ থেকে আপনাদের জানাই শুভ বিজয়ার শুভেচ্ছা'।
কীসের ইঙ্গিত? কুণালের ব্যাখ্য়া ছিল, 'আমার জীবনে অনেকরকম ঝড়, জল, উত্থান-পতন চলতে থাকে। সেজন্য আমি একটা আবেগতাড়িত পোস্ট ওটা। আগামীদিনে জীবনে যদি কোনও বাঁক আসে, আশা করি আপনারা এভাবে আমাকে আর্শীবাদ করবেন, সঙ্গে থাকবেন। যাতে কাজ করতে যেতে পারি। সেটাই বলেছি। বাড়তি কোনও তাত্পর্য অন্তত এই মুহুর্তে আমি দেখতে পাচ্ছি না'। তাঁর কথায়, 'লোকের তো ভবিষ্যতের একটা অনুমান থাকে। ভাবে আমি দেখতে পাচ্ছি ঝাপসা, ঝাপসা, ঝাপসা, ঝাপসা কিছু। আমি সেটুকুই পোস্ট করেছি। ঝাপসা যতক্ষণ না স্পষ্ট হচ্ছে, বলব কী করে'!
বিজেপি নেতা সজল ঘোষের কটাক্ষ, 'বছরে দু'বার করে বেসুরো গাই। ওটা হচ্ছে ওর চার্জ। যথন বোঝে বাজারে চার্জ পড়ে গিয়েছে তখন এভাবে চার্জ দিয়ে নেয়। জেনারেল সেক্রেটারি-ফেক্রেটারি ফেসবুক থেকে মুছে দেয়। আবার ২ দিন বাদে ঢুকিয়ে দেয়। এসব নাটক'!
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)