রাজ্যে ভোটে বাম-কংগ্রেস সমঝোতার রাস্তা খোলা রাখলেন ইয়েচুরির

কলকাতায় প্লেনামের শুরুতেই রাজ্যে কংগ্রেসের সঙ্গে সিপিএমের সমঝোতার ইঙ্গিত দিয়ে রাখলেন ইয়েচুরি। সিপিএমের সাধারণ সম্পাদকের মন্তব্য, গণতন্ত্র রক্ষার লড়াইয়ে যদি কেউ তাদের সঙ্গে সামিল হতে চায়, তাকে স্বাগত।

Updated By: Dec 26, 2015, 11:47 PM IST
রাজ্যে ভোটে বাম-কংগ্রেস সমঝোতার রাস্তা খোলা রাখলেন ইয়েচুরির

ওয়েব ডেস্ক: কলকাতায় প্লেনামের শুরুতেই রাজ্যে কংগ্রেসের সঙ্গে সিপিএমের সমঝোতার ইঙ্গিত দিয়ে রাখলেন ইয়েচুরি। সিপিএমের সাধারণ সম্পাদকের মন্তব্য, গণতন্ত্র রক্ষার লড়াইয়ে যদি কেউ তাদের সঙ্গে সামিল হতে চায়, তাকে স্বাগত।

বছর ঘুরলেই বিধানসভা ভোট। তৃণমূলকে ঠেকাতে কি শেষ পর্যন্ত কংগ্রেসের সঙ্গে সমঝোতায় যাবে বামেরা? রাজ্য রাজনীতিতে বেশ কিছুদিন ধরেই এই নিয়ে বড় জল্পনা চলছে। কারণ, সিপিএম নেতাদের একটা অংশ প্রকাশ্যে এই সমঝোতার পক্ষে ধারাবাহিক ভাবে সওয়াল করে আসছেন। প্রথমে গৌতম দেব। পরে জীবেশ সরকার ও কান্তি গাঙ্গুলি। রাজ্য কমিটির বৈঠকে দুই নেতারই বক্তব্য ছিল, আসন্ন ভোটে কংগ্রেসের সঙ্গে সমঝোতায় না গেলে, পশ্চিমবঙ্গে দল শেষ হয়ে যাবে। সেই রাস্তা যে খোলা থাকছে, প্লেনামের শুরুতে ইয়েচুরির বক্তব্যে তা স্পষ্ট।

২০১৬ সালে বাংলার সঙ্গে কেরলেও বিধানসভা ভোট। সেখানে আবার কংগ্রেসের সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধ বামেদের। দক্ষিণে লড়াই আর বাংলায় ভাইভাই, বাম-কংগ্রেস সম্পর্কে দুই রাজ্যে দুই নীতি নেওয়া সম্ভব হবে? ইয়েচুরির বক্তব্য, সর্বশেষ পার্টি কংগ্রেসের গৃহীত দলিলে এই নীতিতে অনুমোদন দেওয়া আছে। রাজ্যের পরিস্থিতি বিচার করে রণকৌশল স্থির করতে পারবে বামেরা। ভোটের আগে কলকাতায় প্লেনাম। সংগঠনের শক্তিবৃদ্ধি তো গুরুত্ব পাচ্ছেই। সেই সঙ্গে কংগ্রেসের সঙ্গে সমঝোতার রাজনৈতিক ইস্যুটিও আলোচনার বড় বিষয় হয়ে দাঁড়াবে। একথা বলার অপেক্ষা রাখে না।