স্বামী বিবেকানন্দে জন্মদিনের সিমলা স্ট্রিটে বঙ্গ বিজেপির নেতারা। আজ, সোমবার সকালে মিছিল করে স্বামীজীর পৈতৃক ভিটেতে যান শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদররা। স্বামীজীর মূর্তিতে মালা দিয়ে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন তাঁরা।
শুভেন্দু বলেন, 'আমার বয়স ৫৫। আমি বাইশ বছর ধরে সিমলা স্ট্রিটে আসি প্রত্যেকদিন। আগে ক্যামেরা আমাকে খুঁজত না। ভক্ত হিসেবে আসতাম'। এরপরই তৃণমূলকে কটাক্ষ, যাঁরা হিন্দু নয়, সংস্কৃতিতে হিন্দু নয়, আচরণে বাঙালি নয়, তাঁদের কথা স্বামীজীর জন্মভিটায় তুলব না। এরা আরবি সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনতে চায়। এরা হিজাব, বোরখার লোক। এদের সম্পর্কে এখানে বলব না'।
এদিকে উত্তর কলকাতায় স্বামীজীর বাড়িকের সামনে তৃণমূলের হোর্ডিং ঘিরে বিতর্ক। অভিযোগ, হোর্ডিংয়ে শুধুমাত্র অভিষেকের বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি রয়েছে। স্বামীজীর কোনও ছবি নেই। হোর্ডিং আবার লেখা, ‘স্বাগতম যুবরাজ’। শুভেন্দু বলেন, ‘স্বামীজিই আসল যুবরাজ। আর কেউ যুবরাজ নয়। এদের ঔদ্ধত্য কোথায় গিয়েছে যে, মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপোকে যুবরাজ লিখছে'! তাঁর দাবি, 'এখানকার প্রধান মহারাজ আর কারও ছবি লাগাতে কাউন্সিলরদের বারণ করেছিলেন। তার পরেও এরা শোনেনি'।
বিজেপি সাংসদ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, 'একসময় এখানে স্বামীজি ঘুরে বেড়াতেন। এখন কয়লা চোর,গোরু চোরেরা ঘুরে বেড়ায়। বাংলার মানুষের উচিত এদের উৎখাত করা। না হলে বিবেকানন্দের মতো প্রতিভা এই মাটিতে আর দেখা যাবে না'।
এদিকে স্বামী বিবেকানন্দের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীর তুলনা টেনে বিতর্কে জড়ালেন বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। আজ, সোমবার স্বামীজীর জন্মদিনে বিষ্ণুপুরের গড় দরজায় এলাকায় বিবেকানন্দের মূর্তি পাদদেশ থেকে চকবাজার পর্যন্ত শোভাযাত্রা করেন সৌমিত্র। এরপর চকবাজারে একটি পথসভা হয়।
সেই পথসভায় সৌমিত্র বলেন, 'এক নাম ছিল নরেন্দ্র যাকে আমরা স্বামীজী নামে চিনি আর একজন আছেন নরেন্দ্র যিনি স্বামীজীর ভাবনাকে সফল বাস্তবের রূপ দিয়েছেন। এক নরেন্দ্র হিন্দু ধর্মকে এক করার ডাক দিয়েছিলেন, বলেছিলেন সগর্বে বল আমি হিন্দু আর এক নরেন্দ্র রাম মন্দির প্রতিষ্ঠা ও কাশি বিশ্বনাথ মন্দির সংস্কার করছেন। এক নরেন্দ্রর স্বপ্ন আরেক নরেন্দ্র সফল করছেন'। এরপর আবার নিজেই ব্য়াখ্য়া দেন, 'স্বামীজী মাথার উপরে থাকেন। তাঁর শিষ্য নরেন্দ্র মোদী কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা আবার তাঁর শিষ্য'। তৃণমূলের পালটা কটাক্ষ, 'নরেন্দ্র মোদী মানুষের আবাসের টাকা, একশো দিনের কাজের টাকা কেড়ে নিয়ে মানুষকে সর্বহারা করেছেন। তাঁর সাথে স্বামীজীর তুলনা করা মূর্খতারই সামিল'।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)
সাংবাদিকতাতে স্নাতক। শুরু প্রিন্ট মিডিয়ায়। তারপর বৈদ্যুতিন মাধ্যম ঘুরে এখন ডিজিটাল সাংবাদিকতায়। আগ্রহ মূলত রাজনৈতিক খবরে। খেলা, বিশেষত ফুটবল হল ভালোবাসা।
...Read More
By accepting cookies, you agree to the storing of cookies on your device to enhance site navigation, analyze site usage, and assist in our marketing efforts.