পালানোর আগে মুকুল রায়ের সঙ্গে বৈঠক হয়েছিল সুদীপ্ত সেনের, অভিযোগ সারদার আধিকারিকের

বিস্ফোরক অভিযোগ সারদার আধিকারিক অরবিন্দ সিং চৌহানের। তাঁর অভিযোগ, কলকাতা ছেড়ে পালানোর আগে ২০১৩-র পাঁচই এপ্রিল মুকুল রায়ের সঙ্গে বৈঠক হয়েছিল  সুদীপ্ত সেনের। নিজাম প্যালেসের সেই বৈঠকে হাজির ছিলেন রজত মজুমদারও। তাঁর আরও অভিযোগ, বৈঠকের দুদিন পর রাতে সারদার মিডল্যান্ড পার্কের অফিসে এসেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বুম্বা ওরফে অরিন্দম দাস। অবরিন্দ সিং চৌহানের দাবি তিনি নির্দোষ,   আসল দোষীরা এখনও গ্রেফতার হয়নি।

Updated By: Sep 23, 2014, 04:24 PM IST
পালানোর আগে মুকুল রায়ের সঙ্গে বৈঠক হয়েছিল সুদীপ্ত সেনের, অভিযোগ সারদার আধিকারিকের

ওয়েব ডেস্ক: বিস্ফোরক অভিযোগ সারদার আধিকারিক অরবিন্দ সিং চৌহানের। তাঁর অভিযোগ, কলকাতা ছেড়ে পালানোর আগে ২০১৩-র পাঁচই এপ্রিল মুকুল রায়ের সঙ্গে বৈঠক হয়েছিল  সুদীপ্ত সেনের। নিজাম প্যালেসের সেই বৈঠকে হাজির ছিলেন রজত মজুমদারও। তাঁর আরও অভিযোগ, বৈঠকের দুদিন পর রাতে সারদার মিডল্যান্ড পার্কের অফিসে এসেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বুম্বা ওরফে অরিন্দম দাস। অবরিন্দ সিং চৌহানের দাবি তিনি নির্দোষ,   আসল দোষীরা এখনও গ্রেফতার হয়নি।

এদিকে, সারদাকাণ্ডে আদালত অবমাননার অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের হচ্ছে আইনমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশেই সারদা কেলেঙ্কারির তদন্ত শুরু করেছিল সিবিআই। সর্বোচ্চ আদালত নির্দেশ দেয়, এই তদন্তে সিবিআইকে সবরকম সাহায্য করতে হবে রাজ্য সরকারকে।

মামলাকারীর অভিযোগ, এই নির্দেশ অগ্রাহ্য করা হচ্ছে। খোদ শাসক দলের পক্ষ থেকেই সিজিও কমপ্লেক্সে সিবিআই দফতরের সামনে ধরনা-স্লোগান দেওয়া তারই প্রমাণ। এছাড়াও রাজ্যের একাধিক মন্ত্রীর গলায় বারবার সিবিআই তদন্তের বিরুদ্ধে নানা বিরূপ মন্তব্য শোনা গেছে বলেও অভিযোগ। আইনমন্ত্রী ছাড়াও বিধাননগর পুরসভার চেয়ারপার্সন এবং ডেপুটি স্পিকার সোনালী গুহর বিরুদ্ধেও মামলা হচ্ছে।