`অফেন্স ইজ দ্য বেস্ট ডিফেন্স` মনোভাব নিয়ে নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক বসছে তৃণমূল নেতৃত্ব

অফেন্স ইজ দ্য বেস্ট ডিফেন্স। এই মনোভাব নিয়েই কাল মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। বেশকিছুদিন ধরেই এরাজ্যে কমিশনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছে শাসকদল। বিরোধীদের আনা অভিযোগের ভিত্তিতে কয়েকটি ক্ষেত্রে শাসকদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিয়েছে কমিশন। অন্যদিকে তৃণমূল নেত্রীও পাল্টা আক্রমণ করেছেন কমিশনকে । এই টানাপোড়েনের মধ্যেই রবিবারের বৈঠকে কমিশনের বিরুদ্ধে বিমাতৃসুলভ আচরণের অভিযোগ আনতে পারে তৃণমূল কংগ্রেসগত চব্বিশে মার্চ রাজ্যে আসেন উপ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বিনোদ জুতসি। তাঁর সঙ্গে বৈঠকে রাজ্য সরকার এবং রাজ্য নির্বাচনী আধিকারিক সম্পর্কে একাধিক অভিযোগ আনেন বিরোধীরা। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক সুনীল গুপ্তার কাজে রীতিমত অসন্তোষ প্রকাশ করেন জুতসি। এরপরই নড়েচড়ে বসে নির্বাচন কমিশন। পাল্টা সক্রিয় হয়ে ওঠে শাসকদলও। কমিশনের বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী।

Updated By: Apr 5, 2014, 05:52 PM IST

অফেন্স ইজ দ্য বেস্ট ডিফেন্স। এই মনোভাব নিয়েই কাল মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। বেশকিছুদিন ধরেই এরাজ্যে কমিশনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছে শাসকদল। বিরোধীদের আনা অভিযোগের ভিত্তিতে কয়েকটি ক্ষেত্রে শাসকদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিয়েছে কমিশন। অন্যদিকে তৃণমূল নেত্রীও পাল্টা আক্রমণ করেছেন কমিশনকে । এই টানাপোড়েনের মধ্যেই রবিবারের বৈঠকে কমিশনের বিরুদ্ধে বিমাতৃসুলভ আচরণের অভিযোগ আনতে পারে তৃণমূল কংগ্রেসগত চব্বিশে মার্চ রাজ্যে আসেন উপ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বিনোদ জুতসি। তাঁর সঙ্গে বৈঠকে রাজ্য সরকার এবং রাজ্য নির্বাচনী আধিকারিক সম্পর্কে একাধিক অভিযোগ আনেন বিরোধীরা। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক সুনীল গুপ্তার কাজে রীতিমত অসন্তোষ প্রকাশ করেন জুতসি। এরপরই নড়েচড়ে বসে নির্বাচন কমিশন। পাল্টা সক্রিয় হয়ে ওঠে শাসকদলও। কমিশনের বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী।

তৃণমূল সূত্রে খবর, রবিবারের বৈঠকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের কাছে একাধিক প্রশ্ন তোলা হবে। প্রচারে পবন হনসের কপ্টার ব্যবহার করলে নির্বাচনী বিধিভঙ্গ হবে কিনা তা জানতে চাওয়া হবে । মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাট আউট খুলে নেওয়ার প্রসঙ্গ তুলে কমিশনের বিরুদ্ধে কার্যত বিমাতৃসুলভ আচরণেরই ইঙ্গিত দেওয়া হতে পারে বৈঠকে। গুজরাটের মত বড় রাজ্যে এক দফায় ভোট হলেও এরাজ্যে কেন পাঁচ দফায় নির্বাচন, উঠতে পারে সেই প্রশ্নও। মুর্শিদাবাদ জেলায় দু-দফায় ভোটের সিদ্ধান্তে অসন্তোষ জানাতে পারে শাসকদল।