বিচারের অপেক্ষা

পাড়ুই মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। বিস্তর টালবাহানার পর এ বার কি ন্যায়বিচার পাবেন হৃদয় ঘোষ? তাঁর মতোই বিচারের আশায় আরও অনেককে বাধ্য হয়ে আদালতে যেতে হয়েছে। রাজ্য পুলিশের তদন্তে তাঁরা অসন্তুষ্ট। তাঁদের কেউ ছেলেকে হারিয়েছেন, কেউ স্বামীকে। বিচারের অপেক্ষায় তাঁদের আইনি লড়াই চলছে।  

Updated By: Sep 24, 2014, 09:05 PM IST

ওয়েব ডেস্ক: পাড়ুই মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। বিস্তর টালবাহানার পর এ বার কি ন্যায়বিচার পাবেন হৃদয় ঘোষ? তাঁর মতোই বিচারের আশায় আরও অনেককে বাধ্য হয়ে আদালতে যেতে হয়েছে। রাজ্য পুলিশের তদন্তে তাঁরা অসন্তুষ্ট। তাঁদের কেউ ছেলেকে হারিয়েছেন, কেউ স্বামীকে। বিচারের অপেক্ষায় তাঁদের আইনি লড়াই চলছে।  

 বিচারের অপেক্ষায় মা

তিন ছেলের কথা খুব মনে পড়ে। ইচ্ছে করে নিজের গ্রামে ফিরতে। বিচারের আশায় শূন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকেন জারিনা বিবি।
২০১০-এর চৌঠা জুন দুষ্কৃতিদের হাতে প্রাণ গিয়েছিল তিন ছেলের। মূল অভিযোগ যাঁর বিরুদ্ধে সেই মণিরুল ইসলাম শাসকদলের দোর্দণ্ডপ্রতাপ বিধায়ক। এমনই সেই প্রতাপ যে খুনের কথা প্রকাশ্যে বুক ফুলিয়ে বলে বেড়ালেও পুলিসের চার্জশিটে তাঁর নাম থাকে না। ছেলেদের হারানোর পর মণিরুল বাহিনীর তাড়া খেয়ে ভিটেমাটি ছাড়া বৃদ্ধা। পুলিসি তদন্তে ভরসা রাখতে না পেরে সিবিআই তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন জারিনা
বিবি।

 বিচারের অপেক্ষায় বৃদ্ধ দম্পতি

রোজ ধর্ষণ। রোজ শ্লীলতাহানি। চোখের সামনে এ সব সহ্য করতে না পেরে অন্ধকারের রাজত্বের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সরব হয়েছিলেন তিনি। তরুণ শিক্ষকের উদ্যমে গড়ে উঠেছিল সুটিয়া প্রতিবাদী মঞ্চ। দুষ্কৃতীদের গরাদের ওপারে পাঠিয়েছিলেন বরুণ বিশ্বাস। তারাই শোধ নিল। ২০১২-র পাঁচই জুলাই গোবরডাঙা স্টেশনে খুন হয়ে গেলেন বরুণ।
বরুণ খুনের তদন্ত করছে সিআইডি। নিহত শিক্ষকের মা-বাবা, পরিবারের কেউই তাতে সন্তুষ্ট নন। তাঁদের অভিযোগ, দুষ্কৃতীদের আড়াল করতে তদন্তে ঢিলে দিচ্ছে সিআইডি।
ন্যায়বিচারের আশায় হাইকোর্টের কাছে সিবিআই তদন্ত চেয়েছেন বরুণের মা-বাবা। কবে মিলবে বিচার?

 বিচারের আশায় স্ত্রী

পরিবেশ বাঁচানোর আন্দোলন করতেন। বেআইনিভাবে জলাভূমি ভরাটের প্রতিবাদ করতে গিয়ে খুন হয়ে যান তৃণনূল কংগ্রেস নেতা তপন দত্ত। তারিখটা ছিল ২০১১-র ছয়ই মে। দলের লোকেরাই খুনের জন্য দায়ী বলে বারবার অভিযোগ
করেছেন তাঁর স্ত্রী প্রতিমা দত্ত। সিআইডির প্রথম চার্জশিটে মন্ত্রী অরূপ রায়ের নাম থাকলেও পরের চার্জশিটে সেই নাম বাদ পড়ে যায়। বিচারের আশায় প্রতিমা দত্তও সিবিআই তদন্ত চেয়ে আদালতের দরজায়।