)
জি ২৪ ঘন্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ভেঙে চুরমার তৃণমূল কংগ্রেস। সংকটকালে কংগ্রেসই কি খড়কুটো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের? 'রাজনীতিতে সবই সম্ভব, কোনও কিছুই অসম্ভব নয়', বলছেন রাজ্য়ের প্রবীণ কংগ্রেস নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্য।
প্রদীপ বলেন, 'শুনেছি সোনিয়াজীর সঙ্গে মমতা ফোন কথা হয়েছে। কী কথা হয়েছে, জানি না। দিল্লিতে ফোন করেছিলাম। কিন্তু স্পষ্ট কোনও ইঙ্গিত দিতে পারেনি'। তবে মমতার পক্ষে কংগ্রেস ফেরাটা যে সহজ হবে না, সেকথাও বলেছেন তিনি।
প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির মতে, 'দেশের বর্তমানে যে রাজনৈতিক পরিমণ্ডল তৈরি হয়েছে,তার থেকে বেরিয়ে আসার জন্য সর্বভারতীয় স্তরে লড়াই শুরু করেছে কংগ্রেস। তাতে মমতার পক্ষে যোগ দেওয়া কষ্টকর'। তিনি বলেন, 'সবটাই দিল্লির উপরে নির্ভরশীল'।
সাল ১৯৯৮। কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস তৈরি করেন মমতা। তার আগেই কংগ্রেস থেকে বহিষ্কার করা হয় তাঁকে। প্রদীপ বলেন, 'যেদিন কংগ্রেস থেকে মমতা বেরিয়ে গিয়েছিলেন, সেদিনের কথা স্পষ্ট মনে আছে। সেকথা মনে করতে চাই না। কিন্তু সেদিন বুঝতে পেরেছিলাম নতুন যে দল তৈরি হয়েছে, তা আগামীদিনে সম্ভাবনাময় হয়ে উঠবে। আর কংগ্রেস থেকে যেভাবে কর্মীরা বেরিয়ে যাচ্ছেন, তাতে কংগ্রেস দুর্বল হয়ে যাবে'।
প্রদীপের আরও বক্তব্য, 'আজকে পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি রাজনৈতিক দল জন্মের ২৮ বছরের মধ্যে এবং পরাজিত হওয়ার একমাসের মধ্যে ভেঙে চুরমা হয়ে যাবে, এটা প্রত্যাশিত ছিল না। যখন দল তৈরি হয়, তখন বলেছিলাম একটি দল যদি শুধুমাত্র নেতিবাচক রাজনীতির উপর ভিত্তি করে...আদর্শকে সামনে না আনে, তাহলে সেই দলের স্থায়িত্ব থাকবে না। সেটাই হচ্ছে'।